ফেনী প্রতিনিধি

ফেনীর দাগনভূঞায় বাজার ইজারা নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার উপজেলার জিরোপয়েন্ট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালিয়ে ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী।
স্থানীয়রা জানান, দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন এবং সদ্য বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা কাজী জামশেদুর রহমান ফটিকের অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। সম্প্রতি আকবর হোসেনের এক অনুসারী দাগনভূঞা বাজারের ইজারা পান। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
গতকাল সোমবার বাজারে টাকা তোলা নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার পর আজ (মঙ্গলবার) তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষস্থলের পাশে একটি এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র থাকায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের একজন কর্মী নিয়ম মেনে বাজার ইজারা নিয়েছে। টাকা তুলতে গেলে ফটিকের অনুসারীরা বাধা দেয় এবং অতর্কিতে হামলা চালায়।’

অপর দিকে ছাত্রদল নেতা ফটিক বলেন, ‘আকবরের অনুসারীরা অস্ত্র নিয়ে বাজারে অবস্থান নেয়। প্রকাশ্যে গুলি করে এবং ককটেল ফাটায়। আমাদের কয়েক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। এরপর পুলিশ এসে আমাদের লোকদের আটক করে।’
জানতে চাইলে ফেনীর সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী-দাগনভূঞা সার্কেল) তছলিম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাজার ইজারাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। একই সময় এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রের পাশে বিস্ফোরণে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। এ ঘটনায় যৌথ বাহিনীর অভিযান হয়। ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

ফেনীর দাগনভূঞায় বাজার ইজারা নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার উপজেলার জিরোপয়েন্ট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালিয়ে ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী।
স্থানীয়রা জানান, দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন এবং সদ্য বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা কাজী জামশেদুর রহমান ফটিকের অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। সম্প্রতি আকবর হোসেনের এক অনুসারী দাগনভূঞা বাজারের ইজারা পান। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
গতকাল সোমবার বাজারে টাকা তোলা নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার পর আজ (মঙ্গলবার) তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষস্থলের পাশে একটি এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র থাকায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের একজন কর্মী নিয়ম মেনে বাজার ইজারা নিয়েছে। টাকা তুলতে গেলে ফটিকের অনুসারীরা বাধা দেয় এবং অতর্কিতে হামলা চালায়।’

অপর দিকে ছাত্রদল নেতা ফটিক বলেন, ‘আকবরের অনুসারীরা অস্ত্র নিয়ে বাজারে অবস্থান নেয়। প্রকাশ্যে গুলি করে এবং ককটেল ফাটায়। আমাদের কয়েক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। এরপর পুলিশ এসে আমাদের লোকদের আটক করে।’
জানতে চাইলে ফেনীর সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী-দাগনভূঞা সার্কেল) তছলিম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাজার ইজারাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। একই সময় এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রের পাশে বিস্ফোরণে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। এ ঘটনায় যৌথ বাহিনীর অভিযান হয়। ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

রাজশাহীতে রাস্তার কাজের সাইটে চাঁদা চাইতে গিয়ে পিটুনির শিকার হয়েছেন এক বিএনপির কর্মী। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা কলেজ মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৩৯ মিনিট আগে
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ২৬ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আজ বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে শিক্ষকের প্রাইভেট কারের ধাক্কায় এক ছাত্রী আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের তাপসী রাবেয়া হলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটে। আহত ওই ছাত্রী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের অর্থোপেডিকস ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া কলাহাটের ভেতরে উল্টে যাওয়া বালুর ট্রাকের নিচে পড়ে আহত কলার ব্যাপারী রায়হানুল ইসলামও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। এ নিয়ে এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচজনে
১ ঘণ্টা আগে