
কক্সবাজারের চকরিয়ায় প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে ট্রাকচাপায় তাহিয়াতুল জান্নাত তানহা (১১) নামের এক মাদ্রাসাছাত্রী নিহত হয়েছে। শনিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার কাহারিয়াঘোনা জামাল সওদাগর স্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তানহা চকরিয়া পৌরসভার দক্ষিণ করিয়াঘোনা গ্রামের হামিদ আলীপাড়ার বাসিন্দা মৌলানা জাফর আলম হামেদীর মেয়ে। জাফর আলম চকরিয়া সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক।
স্থানীয়রা জানান, তানহা চকরিয়া উম্মাহাতুল মোমেনীন মহিলা দাখিল মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। প্রতিদিনের মতো শনিবার সকালে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার জন্য বাড়ির সামনে থেকে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ওঠে সে। অটোরিকশাটি মগবাজারের দিকে যাচ্ছিল।
পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিমেন্টবোঝাই ট্রাক দ্রুতগতিতে এগিয়ে এলে অটোরিকশাটি থামানোর চেষ্টা করে। এ সময় তানহা অটোরিকশা থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যায়। পরে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মগবাজার-করিয়াঘোনা-কাহারিয়াঘোনা হয়ে মগখাল পর্যন্ত সড়কের একটি অংশে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ করছে চকরিয়া পৌরসভা। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি ওই নির্মাণকাজের জন্য সিমেন্ট নিয়ে যাচ্ছিল।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল ইসলাম বলেন, ট্রাকচাপায় এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাশথুপী গ্রাম থেকে গরুটির মাংস ভ্যানে করে বড়তারা ইউনিয়নের বড়তারা গ্রামে নেওয়া হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গরুটির অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করে। পরে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগকে জানানো হয়।
১৯ মিনিট আগে
ঘটনার পর গ্রামবাসী ধাওয়া করে ধামতী গ্রামের আব্দুল কাদের (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে দেবিদ্বার থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
৩০ মিনিট আগে
প্রতিষ্ঠার সাত দশকেও পাবনা মানসিক হাসপাতালের বহির্বিভাগে নির্মাণ করা হয়নি বিশ্রামাগার। ফলে প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগী ও তাঁর স্বজনেরা। রোগী নিয়ে বহির্বিভাগের সামনে গাদাগাদি করে, কখনো খোলা মাঠে বা গাছতলায় বসে থাকতে হয় স্বজনদের।
৭ ঘণ্টা আগে
পর্যটন নগরী কক্সবাজারকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার প্রক্রিয়া নেওয়া হচ্ছে। বিদ্যমান কক্সবাজার পৌরসভাকে সম্প্রসারণ করে রামু ও কক্সবাজার সদর উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের কিছু এলাকা অন্তর্ভুক্ত করে বৃহত্তর নগর প্রশাসন গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে