
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশি পশু–পাখিও লুটপাট করা হয়েছে। ৫ আগস্ট দুপুরের পর এ ঘটনা ঘটে। পার্কজুড়ে এখন শুধুই ধ্বংসস্তূপ।
আজ শুক্রবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে গিয়ে দেখা যায়, পার্কের প্রধান ফটকের সামনে সুনসান নীরবতা। প্রধান ফটকে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় বন্ধ রয়েছে গেট। পার্কের ২ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করে চোখে পড়ল ধ্বংসস্তূপ। কোর সাফারির হিংস্র পশু দেখার জন্য নির্দিষ্ট মিনিবাস ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ভাঙা হয়েছে পার্ক অফিস। পার্ক অফিসের সব কম্পিউটার ল্যাপটপ লুটপাট করে নিয়ে গেছে। পুরো পার্কের সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে পার্কের দুটি বিশ্রামাগার।
ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে পার্কের শিশুপার্ক। ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে পার্কের ন্যাচার হিস্ট্রি মিউজিয়ামে। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ডিসপ্লে ম্যাপ। ভাঙচুর চালানো হয়েছে পার্কের অডিটরিয়াম সেন্টার। পার্কের ভেতর থাকা কয়েকটি ফুট পার্ক লুটপাট চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে।
ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে পার্কের পাখিশালা, ময়ূর বেষ্টনী, প্রজাপ্রতির বেষ্টনী, দুটি রেস্টুরেন্ট, পার্কের সব সাইনবোর্ড ব্যানার, ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে রঙিন মাছের বেষ্টনী।
পার্ক সূত্রে জানা যায়, পার্কের পাখিশালায় থাকা বিদেশি পাখি ম্যাকাউ, ময়ূরসহ বিদেশি অনেক পাখি লুটপাট করে নিয়ে গেছে। এ ছাড়া অনেক পাখির খাঁচা ভেঙে পশুপাখি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বহু পাখি খাঁচাসহ নিয়ে গেছে।
বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আহম্মেদ নিয়ামুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পুরো পার্কে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে। পার্কের কিছু পশু–পাখি লুটপাট হয়েছে। তবে কত পশু–পাখি লুটপাট হয়েছে এ বিষয়ে রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত বলতে পারব। তবে পার্কের সমস্ত কিছু ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পার্কের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে কবে পার্কের কার্যক্রম চালু হবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশি পশু–পাখিও লুটপাট করা হয়েছে। ৫ আগস্ট দুপুরের পর এ ঘটনা ঘটে। পার্কজুড়ে এখন শুধুই ধ্বংসস্তূপ।
আজ শুক্রবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে গিয়ে দেখা যায়, পার্কের প্রধান ফটকের সামনে সুনসান নীরবতা। প্রধান ফটকে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় বন্ধ রয়েছে গেট। পার্কের ২ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করে চোখে পড়ল ধ্বংসস্তূপ। কোর সাফারির হিংস্র পশু দেখার জন্য নির্দিষ্ট মিনিবাস ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ভাঙা হয়েছে পার্ক অফিস। পার্ক অফিসের সব কম্পিউটার ল্যাপটপ লুটপাট করে নিয়ে গেছে। পুরো পার্কের সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে পার্কের দুটি বিশ্রামাগার।
ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে পার্কের শিশুপার্ক। ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে পার্কের ন্যাচার হিস্ট্রি মিউজিয়ামে। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ডিসপ্লে ম্যাপ। ভাঙচুর চালানো হয়েছে পার্কের অডিটরিয়াম সেন্টার। পার্কের ভেতর থাকা কয়েকটি ফুট পার্ক লুটপাট চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে।
ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে পার্কের পাখিশালা, ময়ূর বেষ্টনী, প্রজাপ্রতির বেষ্টনী, দুটি রেস্টুরেন্ট, পার্কের সব সাইনবোর্ড ব্যানার, ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে রঙিন মাছের বেষ্টনী।
পার্ক সূত্রে জানা যায়, পার্কের পাখিশালায় থাকা বিদেশি পাখি ম্যাকাউ, ময়ূরসহ বিদেশি অনেক পাখি লুটপাট করে নিয়ে গেছে। এ ছাড়া অনেক পাখির খাঁচা ভেঙে পশুপাখি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বহু পাখি খাঁচাসহ নিয়ে গেছে।
বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আহম্মেদ নিয়ামুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পুরো পার্কে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে। পার্কের কিছু পশু–পাখি লুটপাট হয়েছে। তবে কত পশু–পাখি লুটপাট হয়েছে এ বিষয়ে রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত বলতে পারব। তবে পার্কের সমস্ত কিছু ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পার্কের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে কবে পার্কের কার্যক্রম চালু হবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে