গোয়ালিয়র থেকে দিল্লি—ভেন্যু বদলালেও ভারত সফরে বাংলাদেশের হতাশাজনক পারফরম্যানসের ছবিটা একই। টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যাটিং-বোলিং কোনোটাতেই জ্বলে উঠতে পারছে না নাজমুল হোসেন শান্তর দল। শান্তর কাছেও ব্যাপারটা ভালো মনে হচ্ছে না।
প্রথম টি-টোয়েন্টি থেকে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের উন্নতি কেবল ৮ রানের। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে গত রাতে ২২২ রান তাড়া করতে ব্যর্থ বাংলাদেশ আটকে গেছে ৯ উইকেটে ১৩৫ রানে। যেখানে জয়ের লক্ষ্যে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারে আর্শদীপ সিংকে পিটিয়ে ১৪ রান নেন পারভেজ হোসেন ইমন। ৪ ওভার শেষে স্কোর ছিল ১ উইকেটে ৩৮ রান। সেখান থেকে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ইনিংস। অথচ প্রথম ইনিংসে রিংকু সিং ও নীতিশ কুমার রেড্ডি বাংলাদেশের বোলারদের ‘কাউন্টার অ্যাটাক’ করেছেন। ৮৬ রানে হারের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শান্ত বললেন, ‘একই ভুলগুলো আবার করলাম। যেটা দল হিসেবে ভালো ব্যাপার না।’
টস জিতে গতকাল বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন শান্ত। বাংলাদেশের আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে পাওয়ারপ্লেতে (প্রথম ৬ ওভারে) ভারতের স্কোর হয়ে যায় ৩ উইকেটে ৪৫ রান। পরবর্তীতে বাংলাদেশের বোলারদের ওপর দিয়ে সাইক্লোন বইয়ে গেছে। তানজিম হাসান সাকিব (৫০) ও রিশাদ হোসেন (৫৫) রান খরচে ‘ফিফটি’ ছুঁয়েছেন। আশানুরূপ বোলিংটা করেছেন শুধু তাসকিন আহমেদ। ৪ ওভারে ১৬ রানে নেন ২ উইকেট। টস জিতে ফিল্ডিং নেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত, সেই প্রশ্নের উত্তরে শান্ত বলেন, ‘বোলিংয়ের সিদ্ধান্তটা ভালো ছিল। প্রথম ৬-৭ ওভার ভালো বোলিং করেছি। তবে পরবর্তীতে পরিকল্পনা কাজে লাগাতে পারিনি।২-৩ উইকেট নেওয়া উচিত ছিল শুরুতে ধাক্কা দেওয়ার পর। কিন্তু আমরা তাদের উইকেট নিতে পারিনি।’
গোয়ালিয়রের সিন্ধিয়া মাধবরাও স্টেডিয়ামে রোববার প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল ভারত। তবে সেই সুযোগটাও শান্তরা কাজে লাগাতে পেরেছিলেন কই! ১৯.৫ ওভারে ১২৭ রানেই শেষ বাংলাদেশ। দিল্লিতে গত রাতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৩৯ বলে ৪১ রান না করলে বাংলাদেশ ১০০ রানের বেশি ব্যবধানে হারতে পারত। টি-টোয়েন্টি সিরিজে শান্তর ব্যাটে এসেছে ৩৮ রান। দারুণ শুরুর ইঙ্গিত দিয়েও সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে গত রাতে ইনিংস বড় করতে পারেননি। বাজে ব্যাটিংয়ের দায় স্বীকার করে শান্ত বলেন, ‘ব্যাটার হিসেবে দায় আমাদের নিতে হবে। উইকেটে বেশিক্ষণ থাকতে হবে।’

ডারউইনে প্রথম দিনের সব আলো যেন হাসান মাহমুদই কেড়ে নিলেন। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছারখার অস্ট্রেলিয়া। গুনে গুনে স্বাগতিকদের ছয় ব্যাটারকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। তবু একটা উইকেট হাসানের কাছে ‘বেশি স্পেশাল’।
৪০ মিনিট আগে
গতি, সুইং, বাউন্স—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যা যা দরকার, ডারউইনে আজ বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ছিল সবকিছুই। হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, তাসকিন আহমেদদের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ২০০-এর আগেই। বিধ্বংসী বোলিংয়ে দুই বছর আগের স্মৃতি ফেরাল বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় এমন একটা দিন বাংলাদেশ কাটাবে, তা কজনে কল্পনা করতে পেরেছিলেন? কদিন আগে এই বাংলাদেশ ইনিংসে হেরেছে জিম্বাবুয়ের কাছে। তার ওপর ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে বাংলাদেশের যে দল টেস্ট খেলেছে, সেই দলের কোনো ক্রিকেটারেরই ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। আজ ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্র
৩ ঘণ্টা আগে
ঘরের মাঠের চেয়ে বিদেশের মাঠেই বেশি সাবলীল হাসান মাহমুদ। পেস, সুইংয়ে ব্যাটারদের কাবু করেন নিয়মিতই। অস্ট্রেলিয়ায় এবার প্রথমবার টেস্ট খেলতে নেমেই আগুন ঝড়াচ্ছেন হাসান। ছুঁয়ে ফেলেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজার রেকর্ড। হাসানের সামনে এখন কেবল শাহাদাত হোসেন রাজীব ও তাসকিন আহমেদ।
৪ ঘণ্টা আগে