
লেগস্টাম্পে করা নোমান আলীর ওই ডেলিভারিতে রিভার্স সুইসের চেষ্টা না করলে হয়তো টেস্ট ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরিটা পেয়েই যেতেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তিন অঙ্কের ম্যাজিক্যাল ফিগার স্পর্শ করতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে মনমরা হয়ে মাঠ ছেড়েছেন, কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর ব্যাট যেভাবে কথা বলছে, সেটা সেঞ্চুরি মিসের আক্

ঢাকা টেস্টের প্রথম দিন মাঠে গড়াল ৮৫ ওভার। লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে মুশফিকুর রহিম যখন মাঠ ছাড়ছিলেন, ততক্ষণে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩০১ রান করে ফেলেছে স্বাগতিকরা। স্কোরবোর্ডের এই চিত্রই বলছে, প্রথম দিনটা নিজেদের রঙে রাঙিয়েছে বাংলাদেশ। এর কৃতিত্ব অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে দিলেন মুমিনুল হক।
ফিফটিকে কীভাবে সেঞ্চুরিতে পরিণত করতে হয়, সেটা নাজমুল হোসেন শান্ত ভালো করেই জানেন। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের বেশির ভাগ সময় নার্ভাস নাইনটিতে কাটা পড়লেও শান্ত ব্যতিক্রম। টেস্টে তাঁর ফিফটির চেয়ে সেঞ্চুরির সংখ্যাই বেশি। আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। তবে তিন অঙ্ক ছোঁয়ার পর

বাংলাদেশ নাকি পাকিস্তান—কোন দলের পেস আক্রমণ সবেচেয়ে ভালো? দুই দলের টেস্ট সিরিজকে সামনে রেখে গত কয়েক দিন ধরেই হচ্ছে এই আলোচনা। এবার এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছিল স্বাগতিক অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে। উত্তরে নাহিদ রানা, তাসকিন আহমেদদের কিছুটা এগিয়ে রাখলেন তিনি।