
ভারতের কলকাতায় ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজিম আনারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। আজ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় খুন করার উদ্দেশ্যে অপহরণের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন তাঁর মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।
আজ বুধবার রাতে আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহাদ আলী।
তিনি বলেন, ‘সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজিম আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন একটি মামলা করেছে। বুধবার রাতে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নম্বর ৪২। এখন তদন্ত করে আসামিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’
ওসি আরও বলেন, ‘এমপি আনার সংসদ ভবন এলাকায় থাকতেন। সেখান থেকে তিনি ভারতে গেছেন। তাই ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) প্রধান হারুন অর রশীদের পরামর্শে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন তার মেয়ে ডরিন।’
এদিকে আজ বেলা ২টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় পুলিশ জানিয়েছে, তিনি (আনোয়ারুল আজিম) খুন হয়েছেন। তাঁকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। ভারতীয় পুলিশ সহযোগিতা করছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ঝিনাইদহের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম চিকিৎসার জন্য ১২ মে ভারত গিয়েছিলেন। ভারতে যাওয়ার দুই দিন পর তাঁর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে তাঁর মেয়ে আমাদের জানালে, আমাদের পুলিশ ইন্ডিয়ান পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। আমরা আজকে সকালবেলা নিশ্চিত হয়েছি, ভারতীয় পুলিশ জানিয়েছে যে তিনি খুন হয়েছেন।
‘ভারতের পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খুনের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে ধরা হয়েছে; তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আমাদের তদন্ত চলছে।’
আরও পড়ুন:

৯ম শ্রেণির কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল চাচাতো ভাই নাইমের। গতকাল মঙ্গলবার রাতে নাইমের বাসায় কিশোরীর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। হত্যার আগে তাকে ধর্ষণ করে নাইম।
১৯ মিনিট আগে
সিলেটের ওসমানীনগরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনমুন নাহার আশাকে ‘আপা’ বলে সম্বোধন করে ক্ষমা চাওয়ার পর বনফুলের এক কর্মচারীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীর দাবি, তাকে অন্যায়ভাবে জরিমানা করা হয়েছে।
২১ মিনিট আগে
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে যুবক ওমর ফারুককে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় পাঁচ নারী, দুই কিশোরসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত ওমর ফারুকের বাবার করা হত্যা মামলার পর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২৮ মিনিট আগে
‘মানুষ বলে বিচার হবে না। ব্যাপারটা আমি ভালো বুঝি। আমাদের কাতারে যেসব পরিবার আসতেছে বিচারহীনতায় ভুগে, একমাত্র তারাই বুঝতে পারবে। এ ছাড়া কারও পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়...
৪১ মিনিট আগে