
বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে দুই বাংলাদেশি গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (৪ মে) বিকেলে সীমান্ত পিলার–৪৭ ৪৮–এর মধ্যবর্তী শূন্য লাইন থেকে মিয়ানমারের আনুমানিক ৩০০ মিটার ভেতরে বান্ডুলা ক্যাম্প এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে তাঁরা আহত হন।
আহতরা হলেন—নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের জারুলিয়াছড়ি গ্রামের মৃত মোহাম্মদের ছেলে নুরুল আবছার (১৮) এবং নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের কম্বনিয়া গ্রামের আলী আহমদের ছেলে মো. বাবু (১৭)।
আহতদের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেছেন চিকিৎসক।
স্থানীয়রা জানান, আহতরা চোরাকারবারি, ইয়াবা এবং গরু পাচারের উদ্দেশ্যে মিয়ানমারের ভেতরে প্রবেশ করার পর স্থলমাইন বিস্ফোরণে আহত হন।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল আবছার ইমন বলেন, আহত দুজনের মধ্যে একজন তাঁর এলাকার। অপরজন পার্শ্ববর্তী কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের মৌলভীর কাটা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁদের কক্সবাজারে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আজ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ ধার্য করেন। দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম নতুন তারিখ ধার্যের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
৭ মিনিট আগে
গত ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটির মা তাকে ঘরের ভেতরে দোলনায় শুইয়ে রেখে বাড়ির পাশে পাতা ঝাড়ু দিতে যান। কিছুক্ষণ পর সাত বছর বয়সী বড় ছেলে এসে জানায়, দোলনায় ছোট ভাই নেই। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘর ও আশপাশে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।
৯ মিনিট আগে
স্থানীয় বাসিন্দা শাহাবুদ্দিন বলেন, গভীর রাতে বনের ভেতর গাড়ির শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা সতর্ক হন। হইচই শুরু হলে কয়েকটি ট্রাক দ্রুতগতিতে জঙ্গল থেকে বেরিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী ভেতরে গিয়ে দেখতে পান, বনের মধ্যে এলোমেলোভাবে বিপুল পরিমাণ গজারিগাছ মজুত করে রাখা হয়েছে।
২৯ মিনিট আগে
হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মোহাম্মদ সুলতান আহসান উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ছেনোয়ারা বেগমকে তাঁর ভাই বাড়িতে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। পরে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে