
মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্যসচিবের নেতৃত্বে হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে বিরতিহীন বাস চলাচলে বাধা দেওয়া ও আটকে রাখার প্রতিবাদে ধর্মঘট পালন করছে হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপ। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে ওই রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর ফলে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।
হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী বলেন, ‘গত রোববার সকাল ৭টা থেকে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুর রহিম রিপনের ক্ষমতাবলে তার লোকজন শেরপুর নামক স্থানে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস আটক করে রাখছে। দুই দিনে ৩৫-৪০টি গাড়ি আটক করা হয়েছে। এ ছাড়াও প্রায় ২০০ শ্রমিক সেখানে অনিরাপদ অবস্থায় রয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ মোটর মালিক সমিতি গতকাল সোমবার থেকে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
এ ব্যাপারে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুর রহিম রিপনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে মিটিংয়ে আছেন বলে ফোন কেটে দেন।
হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ বলেন, ‘মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সকালে কথা হয়েছে। উনাকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেছি। তিনি ৩টার দিকে মৌলভীবাজারের বাস মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত জানাবেন।’
এদিকে, কোনো ঘোষণা ছাড়াই বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে যাত্রীরা। বাসস্ট্যান্ডে এসে যাত্রীরা জানতে পারছে বাস চলাচল বন্ধ। ফলে যাত্রীরা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় শায়েস্তাগঞ্জ যাচ্ছে। সেখান থেকে বাসে গন্তব্যে যাচ্ছে। আর এই সুযোগে অটোরিকশাচালকেরা ভাড়া বেশি আদায় করছেন।

আমন মৌসুম শুরু হয়েছে। কৃষকেরা জমি প্রস্তুত করছেন। বীজতলা থেকে চারা তোলা হচ্ছে। কোথাও কোথাও চারা রোপণও শুরু হয়েছে। তবে কৃষকেরা সারের দোকানে গিয়ে সার পাচ্ছেন না। ডিলাররা বলছেন, চাহিদার তুলনায় বিসিআইসি ও বিএডিসি তাঁদেরকে সার সরবরাহ করছে না।
২২ মিনিট আগে
রাজশাহীতে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। নগরীর পাঁচটি এলাকায় এডিস মশার প্রজনন নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপে ব্রেটো সূচক ৬১ দশমিক ৩৩ পাওয়া গেছে, যেখানে ২০-এর বেশি সূচককে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
৩৭ মিনিট আগে
নান্দাইল-হোসেনপুর-পাকুন্দিয়া পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার সড়কটি খানাখন্দে ভরে গেছে। ভাঙাচোরা আর অপ্রশস্ত সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা। আধা ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে দেড়-দুই ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে তাঁদের।
১ ঘণ্টা আগে
সাহিত্য-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে বরগুনা পৌরসভার উদ্যোগে নির্মাণ করা হয় অডিটরিয়াম মিলনায়তন (টাউন হল)। ভবন নির্মাণ হলেও ভেতরের আনুষঙ্গিক কাজ বাকি। সে কারণে ছয় বছর ধরে পড়ে আছে ভবনটি। ব্যবহার না হওয়ায় চুরি হয়ে গেছে দরজা-জানালা। পরিণত হয়েছে গোয়ালঘর ও মাদকসেবীদের আড্ডাস্থলে।
১ ঘণ্টা আগে