আজ ২৭ জুন পবিত্র হজ। সারা বিশ্বের ২৫ লাখের বেশি মুসল্লি এবার হজে অংশ নিয়েছেন। মক্কার অদূরে আরাফাতের ময়দানে দিনব্যাপী অবস্থানের মধ্য দিয়ে আজ হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। হাজিদের ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর হবে আরাফাতের ময়দান।
আজ দুপুরে আরাফাতের ময়দানের মসজিদে নামিরা থেকে হাজিদের উদ্দেশে হজের খুতবা দেবেন সৌদি আরবের সর্বোচ্চ উলামা পরিষদের সদস্য শায়খ ড. ইউসুফ বিন মুহাম্মদ বিন সায়িদ। বাংলাসহ বিশ্বের বহুল প্রচলিত ২০ ভাষায় সরাসরি এই খুতবার অনুবাদও প্রচার করার কথা জানিয়েছে দুই পবিত্র মসজিদের প্রেসিডেন্সি বিভাগ।
সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত হাজিরা আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করবেন। এ সময় তাঁরা তালবিয়া, জিকির, ইবাদত ও দোয়া-মোনাজাতে মশগুল থাকবেন। গতকাল সোমবার সারা দিন তাঁরা মিনায় থেকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেছেন।
আরাফাতের ময়দান তিন দিক পাহাড়বেষ্টিত। মাঝে দুই মাইল দৈর্ঘ্য ও দুই মাইল প্রস্থের সমতল ভূমি। আরাফাতে রয়েছে জাবালে রহমত বা রহমতের পাহাড়। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) জাবালে রহমতের কাছে দাঁড়িয়ে বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন। পৃথিবীতে এসে হজরত আদম (আ.) ও হজরত হাওয়া (আ.)-এর পুনর্মিলনও হয়েছিল এই ময়দানে।
ফজরের নামাজের পর মিনা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশে রওনা হন হাজিরা। সূর্যাস্তের পরে এই ময়দান থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে মুজদালিফায় গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ একত্রে আদায় করবেন। রাতে মুজদালিফায় অবস্থান করবেন।
শয়তানের উদ্দেশে নিক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় পাথর সংগ্রহ করবেন মুজদালিফার ময়দান থেকেই। আগামীকাল বুধবার ফজরের নামাজ আদায় করে হাজিরা মুজদালিফা থেকে আবার মিনায় ফিরবেন। মিনায় এসে বড় শয়তানের উদ্দেশে সাতটি পাথর মারবেন, দমে শোকর বা কোরবানি ও মাথা মুণ্ডনের পর গোসল করবেন। সেই সঙ্গে সেলাইবিহীন দুই টুকরা কাপড় তথা ইহরামও বদল করবেন। এরপর স্বাভাবিক পোশাক পরে মিনা থেকে মসজিদুল হারামে গিয়ে কাবা শরিফ সাতবার তাওয়াফ করবেন।
এ ছাড়া সাফা-মারওয়া সায়ি (সাতবার দৌড়াবেন) করবেন। তাওয়াফ ও সায়ি শেষে তাঁরা আবার মিনায় যাবেন। মিনায় যত দিন থাকবেন, তত দিন তিনটি (বড়, মধ্যম, ছোট) শয়তানের উদ্দেশে ২১টি পাথর নিক্ষেপ করবেন। এভাবেই শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এবারের হজটি ইতিহাসের সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে নিরাপদ হজ হতে যাচ্ছে। করোনা মহামারির কারণে গত কয়েক বছর সবার জন্য হজ করার অনুমতি ছিল না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এবার হাজির সংখ্যা ধারণার চেয়েও বেড়েছে। হাজিদের সেবায় সব ধরনের অত্যাধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথাও জানানো হয়েছে।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
২ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে