
সময় যত গড়াচ্ছে, ঢাকা সুপার মার্কেটে আগুন তত ছড়িয়ে পড়ছে। তৃতীয় তলার আগুন দ্বিতীয় তলায় ছড়িয়েছে। আগুনের সঙ্গে ধোঁয়ার প্রকোপও বাড়ছে। এই ধোঁয়ায় ভেতরে ঢুকে আগুন নির্বাপণের কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে। এ জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে কাজ করতে দেখা গেছে ফায়ার ফাইটারদের।
সকাল ৯টায় ঢাকা সুপার মার্কেটের ৫ নম্বর গলির দরজা দিয়ে দোতলায় প্রবেশ করছিলেন ফায়ার ফাইটাররা। এ সময় একজন ফায়ার ফাইটারকে সিলিন্ডার নিয়ে কাজে যেতে দেখা গেছে। উপস্থিত ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভেতরে অনেক ধোঁয়া। কাজের সময় ব্রিদিং প্রবলেম হচ্ছে। তাই অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে।’
এদিকে ভেতরে ধোঁয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেছে মালামাল উদ্ধারের কাজে যুক্ত দোকান কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে৷ মো. সুমন নামের এক দোকান কর্মচারী বলেন, ‘দোতলার অর্ধেক পর্যন্ত আগুন দেখছি ৷ বাকিডা ধোঁয়া আর ধোঁয়া, ভেতরে কিচ্ছু দেহা যাইতাছে না ভাই। মালামাল বাইর করাও যাইতাছে না৷ খুব খারাপ অবস্থা!’
সুমন বলেন, ‘যা মালামাল, তার কতখানি বাইর করতে পারছি, হেইডা কইতে পারি না ভাই। আগুনের তাপ খুব। আর ধুমায় (ধোঁয়া) সব আন্ধার। কিছুই দেহা যাইতাছিল না। আমরা কয়েকবার ওপরে যাইতে পারছি। এহন আর যাওন সম্ভব না।’
আরও পড়ুন:

খুলনা শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সাব্বির (২২) দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হয়েছেন। আজ সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে নগরীর টুটপাড়া দরবেশ মোল্লা গলির সামনে অ্যাড. আইয়ুব আলীর বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাব্বির টুটপাড়া মুজাহিদ সড়কের বাসিন্দা শাহ আলমের ছেলে।
৫ মিনিট আগে
সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়ার স্ত্রী সিমি কিবরিয়াকে উপজেলা কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি করা নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। বিতর্কের মধ্যে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিটন চন্দ্র দে ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুল ইসলামকে বদলি করা হয়েছে।
১৬ মিনিট আগে
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজে এসেছিলেন এই চৌক্কার খালে। তিনি স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সবাইকে একত্র করে নিজে কোদাল হাতে খাল খনন শুরু করেন। মাটি কেটেছেন। তাঁর তখন চিন্তা-ধারণার মধ্যে ছিল যে—এই খাল যখন খনন হবে, খালের দুই পাড়ে গাছ থাকবে।
২৮ মিনিট আগে
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রী অপেক্ষাগারে শত শত যাত্রী। সবার চোখে–মুখে হতাশা, উদ্বেগ, অনিশ্চয়তা। তাঁদের কেউ এসেছেন দ্বিতীয় দিনের মতো, কেউ বা অপেক্ষা করছেন কয়েক ঘণ্টা ধরে। সঙ্গে আছেন বিদায় জানাতে আসা স্বজনেরা। তাঁরা সবাই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রী।
১ ঘণ্টা আগে