২৩ মে দৃষ্টিহীন নারী হিসেবে এভারেস্টের চূড়ায় পা রাখেন ছোনজিন আংমো। তিনি প্রথম ভারতীয় এবং পৃথিবীতে পঞ্চম দৃষ্টিহীন মানুষ হিসেবে এই কীর্তি অর্জন করেন। তাঁর আগের দৃষ্টিহীন এভারেস্টজয়ীরা সবাই ছিলেন পুরুষ।
হিমাচল প্রদেশের কোননুরের বাসিন্দা ছোনজিনের বয়স প্রায় ২৯ বছর। মাত্র ৮ বছর বয়সে দৃষ্টিশক্তি হারান তিনি। এরপরেই চলে বিশেষ পদ্ধতিতে পড়াশোনার সঙ্গে খেলাধুলা। ছোটকাল থেকেই পাহাড়ে চড়ার নেশায় একাধিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ট্রেকিংও শুরু করেন ছোনজিন। এভারেস্ট সামিটের আগে নেপালের ৬ হাজার মিটার উচ্চতার লবুচে শৃঙ্গে আরোহণ করেন তিনি।
২৩ মে দৃষ্টিহীন নারী হিসেবে এভারেস্টের চূড়ায় পা রাখেন ছোনজিন আংমো। তিনি প্রথম ভারতীয় এবং পৃথিবীতে পঞ্চম দৃষ্টিহীন মানুষ হিসেবে এই কীর্তি অর্জন করেন। তাঁর আগের দৃষ্টিহীন এভারেস্টজয়ীরা সবাই ছিলেন পুরুষ।
হিমাচল প্রদেশের কোননুরের বাসিন্দা ছোনজিনের বয়স প্রায় ২৯ বছর। মাত্র ৮ বছর বয়সে দৃষ্টিশক্তি হারান তিনি। এরপরেই চলে বিশেষ পদ্ধতিতে পড়াশোনার সঙ্গে খেলাধুলা। ছোটকাল থেকেই পাহাড়ে চড়ার নেশায় একাধিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ট্রেকিংও শুরু করেন ছোনজিন। এভারেস্ট সামিটের আগে নেপালের ৬ হাজার মিটার উচ্চতার লবুচে শৃঙ্গে আরোহণ করেন তিনি।
এ ছাড়া এভারেস্ট বেসক্যাম্পে ট্রেকিংসহ একাধিক ছোট শৃঙ্গ আরোহণ করেছেন ছোনজিন।

ঢাকা শহরে বেড়ে ওঠা এক দুরন্ত মেয়ের নাম হামিদ আক্তার জেবা। ছোটবেলা থেকে খেলাধুলা ছিল তাঁর নেশা। সেই নেশা একসময় তাঁকে নিয়ে যায় ম্যারাথনের কঠিন পথে। বাবা-মা, ভাই ও ভাবির সঙ্গে তিনি ঢাকায় বসবাস করেন। খেলাধুলাপ্রিয় বাবার অনুপ্রেরণায় জেবার এই পথচলা।
৭ দিন আগে
আমার ভাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। আমাদের বাবা নেই। মা, আমি আর ভাই থাকি। খুব সম্প্রতি মায়ের গায়ে হাত তুলেছে ভাই। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকে সে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছিল কয়েকবার। আমরা তার বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার জন্য তাদের বাসায় দাওয়াত করি।
৭ দিন আগে
যুদ্ধের বীভৎসতা যতই থাক, বছর ঘুরে আসে ঈদ। এটি শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়; বরং বিশ্বাস, সংস্কৃতি আর শিকড়ের টানে ফেরার এক পরম মুহূর্ত। কিন্তু এ বছরের ঈদুল ফিতরে বিশ্বজুড়ে একই সুর বাজেনি। কোথাও বেজেছে পুনর্মিলনের আনন্দগান, আবার কোথাও রণক্ষেত্রের আর্তনাদ।
৭ দিন আগে
বাংলাদেশের সংস্কৃতি এবং সংগীতজগতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সভাপতি সন্জীদা খাতুন। ১৯৩৩ সালের ৪ এপ্রিল তিনি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ৯১ বছর বয়সে ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ তিনি মারা যান। আজ তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী।
৭ দিন আগে