
দৈনিক রুটিন আগের মতোই রয়েছে। কিন্তু সন্ধ্য়েবেলায় বাড়ি ফেরার পর খুব বেশি ক্লান্ত অনুভব করছেন। কারণটা নিজেও বুঝতে পারছেন না। ঝট করে আগে যেভাবে সব কাজ শেষ করে ফেলতে পারতেন, আজকাল সেখানে অলসতা কাজ করছে। শারীরিকভাবে ফিট থেকেও সারা দিন ক্লান্তি ও অলসতার মুখোমুখি হলে দৈনন্দিন রুটিনে কিছু সাধারণ পরিবর্তন আন

খাদ্যাভ্যাস শুধু শারীরিক সুস্থতার জন্যই নয়, মানসিক ও আবেগীয় স্বাস্থ্যের জন্যও খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘নিউট্রিশনাল সাইকিয়াট্রি’ বা পুষ্টি মনস্তত্ত্বের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে খাবারের সঙ্গে মনমেজাজের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের পরিপাকতন্ত্রের সঙ্গে মস্তিষ্কের এক নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। একে ‘গাট

সহজ, মসৃণ, আঁশে ভরপুর এবং প্রোটিনে সমৃদ্ধ খাবার হাম্মুস বা হুমুস। খাবারটি কেন সবার প্রিয়, তা আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই। পৃথিবীতে বিভিন্নভাবে এটি খাওয়া হয়। পরিচিত রেসিপি থেকে বের হয়ে এসে তাজা তুলসীপাতা, ধনেপাতা ও লেবুর সতেজতায় ভরপুর গ্রিন গডেস হুমুস একবার খেয়ে দেখতেই পারেন। স্যান্ডউইচ থেকে শুরু...

সারা দিনে শরীরের শক্তির মাত্রা কিংবা এনার্জি লেভেলে কিছুটা ওঠানামা হওয়া স্বাভাবিক। ঘুম, মানসিক চাপ, শারীরিক পরিশ্রম এবং সবচেয়ে বড় বিষয় আমাদের খাদ্যাভ্যাস। সাধারণত যেকোনো খাবার বা স্ন্যাকস খাওয়ার পর আমাদের সতেজ লাগার কথা, কিন্তু কিছু খাবার উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে।