খাদ্যাভ্যাস শুধু শারীরিক সুস্থতার জন্যই নয়, মানসিক ও আবেগীয় স্বাস্থ্যের জন্যও খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘নিউট্রিশনাল সাইকিয়াট্রি’ বা পুষ্টি মনস্তত্ত্বের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে খাবারের সঙ্গে মনমেজাজের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের পরিপাকতন্ত্রের সঙ্গে মস্তিষ্কের এক নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। একে ‘গাট-ব্রেইন অ্যাক্সিস’ বলা হয়। গাটে কোটি কোটি উপকারী অণুজীব থাকে, যা মস্তিষ্কের মুড, ঘুম ও আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী নিউরোট্রান্সমিটার তৈরিতে ভূমিকা রাখে। তাই এটিকে বলা হয় শরীরের ‘দ্বিতীয় মস্তিষ্ক’। স্বাস্থ্যকর খাবার এই অণুজীবগুলোকে ভালো রাখে, যা পরোক্ষভাবে মানসিক চাপ কমিয়ে আনে।
মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য নিউট্রিয়েন্ট-সমৃদ্ধ সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খাওয়া উচিত। গবেষকেরা ‘মেডিটেরেনিয়ান ডায়েট’ বা ভূমধ্যসাগরীয় খাদ্যাভ্যাস অনুসরণের পরামর্শ দেন। এই খাদ্যাভ্যাস বিষণ্নতার ঝুঁকি অন্তত ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমে। ফলমূল, শাকসবজি ও পূর্ণাঙ্গ পুষ্টিকর খাবার বেশি খেলে মানসিক চাপ কমে এবং মেজাজ ভালো থাকে।
ফলমূল, শাকসবজি, মাছ, বাদাম, শিমজাতীয় খাবার, অলিভ অয়েল, দুগ্ধজাত পণ্য এবং ফারমেন্টেড বা গাঁজানো খাবার।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, বিশেষ করে টিকটকে বিভিন্ন বিষয় মাঝেমধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। তেমনই স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি নতুন ট্রেন্ড ভাইরাল হয়েছে। একে বলা হচ্ছে মেনোপজ ককটেল। তবে দাবি করা হয়, অ্যালার্জির ওষুধ এবং অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ একসঙ্গে খেলে মেনোপজ বা রজঃনিবৃত্তির লক্ষণগুলো থেকে দ্রুত মুক্তি
১৪ মিনিট আগে
মানুষ হাজার হাজার বছর ধরে ঘুমিয়েছে সূর্যের নিয়মে। সহজ কথায়, সূর্য ডুবলে অন্ধকার। অন্ধকার নেমে এলেই মস্তিষ্কের সংকেত—এবার ঘুমাতে হবে। আবার ভোরে আলো ফুটলে মস্তিষ্কই জানান দেয়, এবার জেগে ওঠো। এই ছন্দটার নাম সার্কাডিয়ান রিদম, অর্থাৎ শরীরের ভেতরের ঘড়ি। কয়েক হাজার বছরের বিবর্তনে এটা গড়ে উঠেছে
২ ঘণ্টা আগে
বিরল ও আক্রমণাত্মক ক্যানসারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর ধরে লড়াই করে মারা গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় টিকটক তারকা ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সিডনি টাউল। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ২৬ বছর। পিত্তনালির (বাইল ডাক্ট) ক্যানসার শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ার পর সৃষ্ট জটিলতায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৬৩ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৭৬৭ জন মারা গেছে, আর হামে মারা গেছে ৯৬ জন।
১৪ ঘণ্টা আগে