
ক্লাব পর্যায়ে গোলের ঝুলঝুরি ছুটিয়ে অনেক আগেই গোলমেশিন তকমা পেয়েছেন আরলিং হালান্ড। এবারের বিশ্বকাপেও ধারাবাহিকভাবে জালের দেখা পাচ্ছেন। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিলকে বিদায় করার পথে দুইবার পেয়েছেন জালের দেখা। এরপর সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই স্ট্রাইকার।

আমি যদি এখন নরওয়ের রাস্তায় থাকতে পারতাম! এই উদ্যাপনের অংশ হতে পারতাম! সবাইকে আনন্দ করতে হবে। পুরো নরওয়েকেই উদ্যাপন করতে হবে। নরওয়ের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে অবিশ্বাস্য দিনগুলোর একটি। সবাই শুধু উপভোগ করুন, কারণ এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য।

শেষ ষোলোর কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে হালান্ড বলেন, ‘সামনে দারুণ সব দলের মুখোমুখি হতে হবে। লড়াইটা বেশ কঠিন হতে যাচ্ছে। তবে আমরা দীর্ঘ সময় ধরে প্রস্তুতি নিয়েছি এবং এখনো আমাদের প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে।’

বোস্টনে গতকাল ফ্রান্স-নরওয়ে ম্যাচ নিয়ে ভক্ত-সমর্থকদের আগ্রহ ছিল একটু বেশি। কে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে, সেটা দেখতে নয়। বরং আরলিং হালান্ড-কিলিয়ান এমবাপ্পের লড়াই দেখতেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন ফুটবলপ্রেমীরা। পুরো ২ ঘণ্টা খেলা দেখেও ভক্ত-সমর্থকেরা হালান্ডকে দেখতে না পেয়ে হতাশই হয়েছেন।