
প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের জন্য বরাবরই আতঙ্কের আরেক নাম আর্লিং হাল্যান্ড। চলতি মৌসুমেও নিজের আধিপত্য দেখাচ্ছেন এই স্ট্রাইকার। তাঁকে আটকানোর সব চেষ্টাতেই ব্যর্থ হয় প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ। এবার হাল্যান্ডকে আটকানোর উপায় বলে দিলেন খোদ ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা।
এই মৌসুমে ক্লাব ও দেশের হয়ে এখন পর্যন্ত ১২ ম্যাচে মাঠে নেমেছেন হাল্যান্ড। জালের দেখা পেয়েছেন ২১ বার। এই পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে–প্রতিপক্ষের গোলমুখে কতটা দুর্ধর্ষ নরওয়েজিয়ান তারকা। তাই তাঁকে আটকাতে কেবলমাত্র সেন্ট্রাল ডিফেন্সেই চারজনকে রাখার পরামর্শ দিলেন গার্দিওলা।
সংবাদ সম্মেলনে গার্দিওলা বলেন, ‘হাল্যান্ড যখন বরুশিয়া ডর্টমুন্ডে ছিল তখন তাঁর মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ হয়েছিল আমার। বাকি জীবনে আর তাঁর মুখোমুখি হতে চাই না। আমি প্রতিপক্ষ দলের কোচ হলে হাল্যান্ডকে আটকানোর জন্য সেন্ট্রাল ডিফেন্সে চারজন রাখতাম।’
আক্রমণভাগে অসাধারণ দক্ষতা থাকায় হাল্যান্ড একাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার যোগ্যতা রাখেন বলেন মনে করেন গার্দিওলা, ‘হাল্যান্ড একজন শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলার। বিশ্ব ফুটবলে ৪–৫ জন ফুটবলার আছে যারা একা পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। হাল্যান্ড তাঁদেরই একজন। আশা করি সে লম্বা সময় ধরে আমাদের দলে থাকবে। তাঁকে পেয়ে আমরা খুশি। মাঠে হাল্যান্ডের সেরাটা দেখতে পাচ্ছি। শুধু গোলের দিক দিয়ে নয়, তাঁর পারফরম্যান্সের মান সবদিক থেকেই অসাধারণ।’

৯ অক্টোবর আবুধাবিতে শুরু হবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজের একমাত্র টেস্ট। তার আগে মরুর বুকে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছেন সৌম্য সরকার-মেহেদী হাসান মিরাজরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম দিনটা বাংলাদেশের জন্য অম্লমধুরই বলা চলে।
১১ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান গেমসে ব্যর্ধতার ষোলোকলা পূর্ণ করল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নিশিনে গতকাল শ্রীলঙ্কার ৬২ রানে হেরে ব্রোঞ্জও পেল না বাংলাদেশ। হারের পর লিটন দাস জাপানে খাবারদাবার নিয়ে অজুহাত সামনে এনেছেন। অধিনায়কের মুখে এমন কথা শুনে অসন্তুষ্ট খালেদ মাহমুদ সুজন।
১২ ঘণ্টা আগে
ওয়ানডের অন্যতম সেরা ফিনিশারের নাম বললে মাইকেল বেভান, মহেন্দ্র সিং ধোনি, বিরাট কোহলিরা থাকবেন ওপরের তালিকায়। ঠাণ্ডা মাথায় প্রতিপক্ষের কাছ থেকে অনেকবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন তাঁরা। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে এড়ালেন ধবলধোলাই। পাহাড়সমান লক্ষ্য থাকলেও ঘাবড়ে যাননি তিনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সপ্তম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়। তাঁর সেঞ্চুরিতে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে আছে স্বাগতিক চট্টগ্রাম। রাজশাহীর অর্ধেকেরও বেশি রান চট্টগ্রাম করে ফেলেছে কোনো উইকেট না হারিয়ে। চট্টগ্রাম দ্বিতীয় দিনটা স্বস্তিতে
১৩ ঘণ্টা আগে