
উইম্বলডনের সেমিফাইনালে ইয়ানিক সিনারের কাছে পরাজিত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচ খেলেননি নোভাক জোকোভিচ। এ সপ্তাহে শুরু হতে যাওয়া এটিপি সিনসিনাটি মাস্টার্স থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ৩৮ বছর বয়সী এই সার্বিয়ান তারকা। টুর্নামেন্ট কমিটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আগস্টের শেষ সপ্তাহে শুরু হচ্ছে ইউএস ওপেন। তার আগে জোকোভিচের কোনো ম্যাচ খেলারও আর সম্ভাবনা নেই বললে চলে। ২৪টি গ্র্যান্ড স্লামের মালিক জোকোভিচ ২০০৫ সালে প্রথমবারের মতো সিনসিনাটিতে খেলেছেন। ২০২৩ সালে সবশেষ এই মাস্টার্স টুর্নামেন্টের তৃতীয় শিরোপা জয় করেছিলেন। এর আগে পরাজিত হয়েছেন পাঁচটি ফাইনালে।
এদিকে বিশ্রামের কারণে জোকোভিচ ও কার্লোস আলকারাজের মতোই বর্তমানে এটিপি টরন্টো মাস্টার্স থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় সিনার। উইম্বলডনের পর নিজেকে আবারও সতেজভাবে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই টরন্টোতে খেলছেন না সিনার। তবে সিনসিনাটিতে তাঁকে দেখা যাবে।
সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনার ও তাঁর দল গলফ কোর্সে একটি সেলফি পোস্ট করেন। গতকাল থেকে প্রাক্-ইউএস ওপেনের প্রথম অনুশীলন সেশনে যোগ দিয়েছেন সিনার।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে