বার্মিংহামে কমনওয়েলথ গেমসে হকিতে বেশ ভালোই খেলছিল ভারতীয় নারী হকি দল। এ ইভেন্টটিতে সোনা জয়ের স্বপ্নে তারা সেমিফাইনাল খেলতে নেমেছিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। কিন্তু একটি অনাকাঙ্ক্ষিত এক ঘটনায় তাঁদের স্বপ্ন ভেঙেছে।
অস্ট্রেলিয়ার এক খেলোয়াড় প্রথমবার পেনাল্টি নেওয়ার সময় ঘড়ি যথাসময়ে চালু হয়নি বলে পুনরায় পেনাল্টি নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। যা নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। ম্যাচটির সমালোচনা করেছেন সাবেক ভারতীয় ওপেনার বীরেন্দর শেবাগও।
হকির ম্যাচটিতে পক্ষপাতিত্ব হয়েছে বলে মনে করেন শেবাগ। ভারতীয় কিংবদন্তি সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে পোস্ট করেছেন। তিনি পোস্টে সরাসরি কারও দিকে আঙুল না তুললেও আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশনকে দায়ী করেছেন। ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী ওপেনার লিখেছেন, ‘পেনাল্টির সুযোগ হাতছাড়া করেছেন অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়। আর মাঠের রেফারি বলছেন দুঃখিত ঘড়ি চালু হয়নি। এমন পক্ষপাতিত্ব ভারতের সঙ্গে শুরুর দিকের ক্রিকেটেও হয়েছে। যখন আমরা পরাশক্তি হয়নি। হকিতে খুবই শিগগির হতে যাচ্ছি। তখন সব ঘড়ি যথাসময়ে চালু হবে। আমাদের নারীদের নিয়ে গর্বিত।’
ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়ার সেমিফাইনাল ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে শেষ হয়। ম্যাচের জয়-পরাজয় নির্ধারণের জন্য পেনাল্টির সহায়তা নেওয়া হয়। অজি দলের প্রথম পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন ভারতীয় গোলকিপার সবিতা পুনিয়া। যখন ভারতীয় দলের খেলোয়াড় প্রথম পেনাল্টি নেবেন তখন জানতে পারলেন ঘড়ি যথাসময়ে চালু হয়নি। তাই রেফারি পুনরায় পেনাল্টি নেওয়ার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়াকে। ভারতীয় খেলোয়াড়রা এর প্রতিবাদ করলেও রেফারি তাঁর সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। পরে ছন্দ হারিয়ে ৩-০ গোলে হেরেছে ভারত।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে