লিওনেল মেসির বার্সেলোনায় ফেরায় নিয়ে গুঞ্জন জোরালো হচ্ছে প্রতিদিনই। বার্সেলোনা থেকেও শোনা যায় নানারকম কথা। বার্সা সভাপতি হুয়ান লাপোর্তার সবুজ সংকেতের অপেক্ষা করছেন আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলার।
২০২১ সালে বার্সেলোনা থেকে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি) পাড়ি জমান মেসি। এ বছরের জুনে পিএসজির সঙ্গে মেসির দুই বছরের চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। নতুন করে চুক্তি না বাড়ানোর সম্ভাবনাই বেশি। কেননা গত মাসে ফরাসি ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম লেকিপ পিএসজির সঙ্গে মেসির সম্পর্ক বিচ্ছেদের কথা জানিয়েছে। এমন অবস্থায় অনেক জায়গায় মেসির যাওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। বিশেষ করে, বার্সার কথা শোনা যাচ্ছে বেশি। স্পেনের অন্যতম জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম মুন্ডো ডেপোর্টিভো জানিয়েছে, বার্সা সভাপতি লাপোর্তার থেকে প্রস্তাব পেতে অপেক্ষা করছেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।
মেসিকে পরোক্ষভাবে বার্সেলোনায় ফেরানোর চেষ্টা গত মাসে করেছিলেন লাপোর্তা। মেসির বাবা হোর্হে মেসির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বার্সার বর্তমান সভাপতি। ধোঁয়াশা রেখে এ ব্যাপারে লাপোর্তা তখন বলেন, ‘আমি হোর্হে মেসির সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলেছি এবং মেসিকে সম্মান জানাতে একটি বিশেষ ম্যাচ আয়োজন করতে চাই। সে এখন পিএসজিতে আছে। তাই আমি বলতে চাই না যে সে ফিরবে কি ফিরবে না।’

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
১ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে