এক সপ্তাহ ধরেই আলোচনা হচ্ছিল সৌদি আরবে যাচ্ছেন করিম বেনজেমা। গত পরশু রিয়াল মাদ্রিদ তাঁদের শিষ্যের ক্লাব ছাড়ার বিষয় নিশ্চিত করলে তার সত্যতাও মিলে। আজ জানা গেছে, আল ইত্তিহাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ বছরের চুক্তি সেরেছেন তিনি।
বেনজেমার চুক্তির বিষয়টি এক সূত্রের মাধ্যমে রয়টার্স নিশ্চিত করেছে। সূত্র বলেছেন, ‘আল ইত্তিহাদের সঙ্গে ৩ বছরের জন্য চুক্তি করেছেন বেনজেমা।’ যার অর্থ, ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত খেলবেন তিনি। চাইলে, ২০২৬ পর্যন্তও খেলতে পারবেন তিনি।
অন্যদিকে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা জানিয়েছে, সৌদি ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি করায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর পারিশ্রমিক পাওয়া বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেলোয়াড় হবেন তিনি। চুক্তির অঙ্কটা সঠিকভাবে জানা না গেলেও ধারণা করা হচ্ছে তিন বছরে তিনি ২২০ মিলিয়ন ইউরোর কম হবে না। এমনকি অর্থের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৩২০ মিলিয়ন ইউরোও হতে পারে। প্রতি বছর ১০০ মিলিয়ন ইউরোর সঙ্গে ২০ মিলিয়ন ইউরো বোনাস পেতে পারেন তিনি। বোনাসের অঙ্কটা অ্যাম্বাসেডর হিসেবে পাবেন ২০৩০ বিশ্বকাপ সৌদি আরব নিলাম করার জন্য।
রিয়ালের হয়ে ১৪ মৌসুম কাটিয়েছেন বেনজেমা। স্প্যানিশ ক্লাবের হয়ে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ৬৪৭ ম্যাচ খেলেছেন ৩৫ বছর বয়সী স্ট্রাইকার। গোল করেছেন ৩৫৩ টি। শুধু ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোই গোলের বিচারে তাঁর উপরে আছেন।
রিয়ালের হয়ে ৫টি চ্যাম্পিয়নস লিগ, ৪ টি লা লিগার সঙ্গে ৩টি কোপা দেল রে জিতেছেন বেনজেমা। আর ২০২১-২২ মৌসুমে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য জিতেছেন বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ব্যালন ডি অর।
আল ইত্তিহাদের সঙ্গে চুক্তি করায় পুরোনো বন্ধুর দেখা পাচ্ছেন বেনজেমা। তবে সতীর্থ নয় প্রতিপক্ষ হিসেবে। রিয়ালের কিংবদন্তি রোনালদোর সঙ্গে। পাঁচবারের ব্যালন ডি অরজয়ী গত মৌসুম ধরে খেলছেন আল নাসরের হয়ে। এ দুজনই নন আরও বেশ কিছু তারকা খেলোয়াড়কে দেখা যেতে পারে সৌদি প্রো লিগে। ইতিমধ্যে লিওনেল মেসি, টনি ক্রুস, লুকা মদরিচ, সার্জিও বুসকেটসসহ অনেক তারকা ফুটবলারকে প্রস্তাব দিয়েছে সৌদির ক্লাবগুলো।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
২ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৩ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৪ ঘণ্টা আগে