
গ্রুপপর্ব কিংবা সেরা ৩২; আগের দুই পর্বেই দাপুটে ফুটবল খেলেছে যুক্তরাষ্ট্র। শেষ ষোলোতে এসে সে দাপট দেখাতে পারল না এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজকেরা। তাদের বিপক্ষে ৪-১ গোলের সহজ জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখল বেলজিয়াম।
সিয়াটল স্টেডিয়ামে যুক্তরাষ্ট্র বল দখলে এগিয়ে থাকলেও আক্রমণে নেতৃত্ব দিয়েছে বেলজিয়াম। ৪৩ শতাংশ বল দখলে রেখে ইউরোপের দলটির নেওয়া ১৫ শটের সাতটি লক্ষ্যে ছিল। এর মধ্যে চারটিই পেয়েছে জালের দেখা। প্রথমার্ধে জোড়া গোল করে বেলজিয়ামের জয়ের নায়ক শার্ল ডে কেতেলারে। এ ছাড়া হান্স ফানাকেন ও রোমেলু লুকাকু একবার করে গোলের খাতায় নাম লেখান।
দাপুটে ফুটবল খেলা বেলজিয়াম লিড নিতে বেশ সময় নেয়নি। নবম মিনিটে নিকোলো রাসকিনের পাস থেকে অনায়াসে ঠিকানা খুঁজে নেন কেতেলারে। ৩১ মিনিটে গোলটার শোধ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। মালিক টিলম্যানের ফ্রি কিক ফানাকেনের গায়ে লেগে দিক পাল্টে ডানদিক দিয়ে জালে জড়ায়। তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না থিবো কোর্তোয়ার।
সমতায় ফেরার আনন্দ অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের। গোলের পরই আক্রমণে উঠে ম্যাচে দ্বিতীয়বারের মতো লিড নেয় বেলজিয়াম। লেয়ান্দ্রো ত্রসার্দের ক্রস থেকে কেতেলারের মাথাস্পর্শী বল আয়োজকদের জাল খুঁজে নেয়। একটু আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সমতায় ফেরার উল্লাস যেন মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হয়। ২ মিনিটেরও কম সময়ে উত্তপ্ত গ্যালারিতে তখন যেন রাজ্যের হতাশা। যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থকদের সে হতাশাকে বিরতির পর আরও দীর্ঘ করেছে বেলজিয়াম।
৫৭ মিনিটে বেলজিয়ামের হয়ে তৃতীয় গোল করেন ফানাকেন। প্রাধান্য বিস্তারকারী ফুটবলে আরও কিছু সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতায় চতুর্থ গোলের দেখা পাচ্ছিল না বেলজিয়ানরা। যোগ করা সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের জালে শেষ পেরেক ঠুঁকে দেন লুকাকু। বড় জয়ে শেষ আটে পা রাখে বেলজিয়াম।

স্পেনের কাছে হেরে শেষ ষোলোতেই বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয়েছে পর্তুগালের। সেই হতাশাজনক বিদায়ের পর দলটির প্রধান কোচের পদ ছাড়লেন রবার্তো মার্তিনেস। ২০২৩ সালে দায়িত্ব নেওয়া এই স্প্যানিশ কোচের চুক্তির মেয়াদও বিশ্বকাপ পর্যন্তই ছিল।
১ ঘণ্টা আগে
এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
৫ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
৫ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৬ ঘণ্টা আগে