
স্পেনের কাছে হেরে শেষ ষোলোতেই বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয়েছে পর্তুগালের। সেই হতাশাজনক বিদায়ের পর দলটির প্রধান কোচের পদ ছাড়লেন রবার্তো মার্তিনেস। ২০২৩ সালে দায়িত্ব নেওয়া এই স্প্যানিশ কোচের চুক্তির মেয়াদও বিশ্বকাপ পর্যন্তই ছিল।
ডালাস স্টেডিয়ামে সোমবার দিবাগত রাত ১টায় শুরু হওয়া ম্যাচের যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর একমাত্র গোলে হেরে যায় পর্তুগাল। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মার্তিনেস নিশ্চিত করেন, এটাই ছিল পর্তুগালের কোচ হিসেবে তাঁর শেষ ম্যাচ।
বিদায়ের ঘোষণা দিতে গিয়ে মার্তিনেস বলেন, ‘হ্যাঁ, পর্তুগালের কোচ হিসেবে এটাই আমার শেষ ম্যাচ। আমি গর্বিত। ৪৫টি ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছি। পর্তুগালে আমি সাদরে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছি, ভালোবাসা পেয়েছি। এই স্মৃতি আমি সারাজীবন সঙ্গে রাখব। এটি ছিল আমার জন্য আনন্দের, গর্বের এবং একই সঙ্গে বড় দায়িত্বের একটি অধ্যায়। মুহূর্তটা কঠিন, কিন্তু একটি চক্রের সমাপ্তি ঘটেছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটিই সবচেয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত।’
২০২৪ ইউরোর কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল পর্তুগাল। বিশ্বকাপে তাদের বিদায় হলো একটু আগেই। বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলেও পর্তুগালকে ব্যর্থ দল বলতে নারাজ মার্তিনেস, ‘আমরা ব্যর্থ হইনি। আমরা একটি ম্যাচে হেরেছি, এমন একটি দলের কাছে যারা এই বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট। আমাদের খেলোয়াড়রা অসাধারণ ব্যক্তিগত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। বড় ম্যাচে, বড় দলের বিপক্ষে জয়-পরাজয় অনেক সময় খুব ছোট ছোট বিষয়েই নির্ধারিত হয়। আপনি তখনই ব্যর্থ হন, যখন জয়ের চেষ্টা করেন না। আর আমরা শেষ মিনিট পর্যন্ত জয়ের জন্য লড়েছি।’
ফুটবলের বাস্তবতা বোঝাতে মার্তিনেস বলেন, ‘শুধু পর্তুগাল নয়, এমন অনেক দেশই নেই যারা নিয়মিত বিশ্বকাপের শেষের দিকের ধাপগুলোতে পৌঁছাতে পারে। ধারাবাহিকভাবে যোগ্যতা অর্জন করা এবং নিয়মিত ভালো করা খুবই কঠিন। অনেক সময় খুব ছোট একটি বিষয় পার্থক্য গড়ে দেয়, যেমন একটি শট গিয়ে পোস্টে লাগে। এ ধরনের মুহূর্তই বিশ্বকাপের ভাগ্য নির্ধারণ করে।’

গ্রুপপর্ব কিংবা সেরা ৩২; আগের দুই পর্বেই দাপুটে ফুটবল খেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র। শেষ ষোলোতে সে দাপট দেখাতে পারল না এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজকেরা। তাদের ৪-১ গোলের সহজ জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখল বেলজিয়াম।
১ ঘণ্টা আগে
এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
৫ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
৫ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৬ ঘণ্টা আগে