
কানসাস বিমানবন্দরে নেমেই বোঝা গেল বিশ্বকাপের শহরে পা রেখেছি। নিউইয়র্কে বিশ্বকাপের আমেজ বোঝা যতটা কঠিন, কানসাসে তা নয়। বরং মিসৌরি রাজ্যের বৃহত্তম শহরকে রঙিন করে তোলা হয়েছে বিশ্বকাপের রঙে। এই কানসাসেই ঘাঁটি গেড়েছে আর্জেন্টিনা।
গত পরশু নিউইয়র্ক থেকে দুপুরে কানসাসে পৌঁছে প্রথম কাজই হলো আর্জেন্টিনার ঘাঁটি দর্শন। মিসৌরি নদীর তীরে নিরিবিলি, ছিমছাম বার্কলি রিভারফ্রন্ট এলাকায় আর্জেন্টিনার টিম হোটেল। চারদিকে এত ঘেরাটোপ, বাইরে থেকে মেসিদের কোনো কিছুই দেখা সম্ভব নয়। তবু টিম হোটেল আর আর্জেন্টিনা দলের অনুশীলনে যাওয়া-আসার সময়ে টিম বাস দেখতে হাজারো ভক্ত-সমর্থকদের ভিড় লেগেই আছে। টিম হোটেলের এক নিরাপত্তাকর্মী জানালেন, টানা চার দিন ডিউটি করছেন, একবারও মেসিদের স্বচক্ষে দেখা হয়নি তাঁর! সেখানে দর্শকেরা কীভাবে দেখবেন? তাতেও সমর্থকদের আগ্রহের কোনো কমতি নেই।
বিশ্বকাপ অভিযানে আসা একটা চ্যাম্পিয়ন দল দুনিয়ার সব কোলাহল থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে তৈরি হচ্ছে নতুন ইতিহাস গড়তে। সমর্থকদের উন্মাদনা থাকবে, কিন্তু নিজেদের কাজ ঠিকঠাক করে যাওয়ার সব চেষ্টাই করবে তারা। আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হচ্ছে কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে, বাংলাদেশ সময় কাল সকাল ৭টায়। প্রতিপক্ষ আলজেরিয়া।
ম্যাচের আগের দিনে হতে যাওয়া কোচ লিওনেল স্কালোনির সংবাদ সম্মেলনের দিকে সূক্ষ্ম নজর আর্জেন্টাইনদের। যে সংবাদ সম্মেলনে দলের একাদশ ও খেলোয়াড়দের শারীরিক অবস্থা নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার কথা। নিয়ম অনুযায়ী স্কালোনির সঙ্গে একজন ফুটবলারও উপস্থিত থাকবেন, যদিও তাঁর নাম প্রকাশ করা হয়নি ফিফার মিডিয়া হাবে।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপের মতো এবারও কি স্কালোনির পাশে বসবেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি? স্থানীয় সময় সোমবার সকালে এ প্রতিবেদন লেখার সময় উত্তরটা পাওয়ার সুযোগ ছিল না। চার বছর আগে সৌদি আরবের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনির সঙ্গী ছিলেন মেসি। সেই ‘সৌভাগ্যের রীতি’ আবারও ফিরে আসে কি না, সেটিই দেখার বিষয়।
চোট ও ফিটনেস-সংক্রান্ত নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে প্রস্তুতি পর্ব কাটালেও বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এখন অনেকটাই স্বস্তিতে আছে। মানসিক ও শারীরিক—দুই দিক থেকেই আর্জেন্টিনার অবস্থান আগের তুলনায় অনেক ভালো। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনা যে নিকোলাস তাগলিয়াফিকো পাচ্ছে না, তা মোটামুটি নিশ্চিত। বাঁ পায়ের পেশিতে চোট পাওয়ায় তিনি অন্তত আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি খেলতে পারবেন না। তবে কোচিং স্টাফ আশাবাদী, অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচের আগেই তাঁকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। অবশ্য সবকিছু নির্ভর করবে তাঁর পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার অগ্রগতির ওপর।
আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমগুলোর খবর, গত শনিবারের অনুশীলনে স্কালোনি একাধিক কৌশল পরীক্ষা করে দেখেছেন। প্রথমে তিনি ৪-৪-২ ফরমেশনে দল সাজান। রক্ষণভাগে ছিলেন গনসালো মন্তিয়েল, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্দি ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। পরে স্কালোনি কিছু পরিবর্তন আনেন। ফাকুন্দো মেদিনাকে বাঁ প্রান্তের ডিফেন্ডার হিসেবে নামানো হয় এবং মাঠ ছাড়েন রোমেরো।
আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের কেন্দ্রস্থলই এখন সবচেয়ে বড় ধাঁধা তৈরি করেছে। মূলত তিনজন খেলোয়াড়—রোমেরো, ওতামেন্দি ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজ—দুটি পজিশনের জন্য লড়াই করছেন। তবে তিনজনকেই একসঙ্গে খেলানোর সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সে ক্ষেত্রে লিসান্দ্রোকে বাঁ প্রান্তে খেলানো হতে পারে, যেখানে তিনি আগেও সফলভাবে খেলেছেন।
আরও একটি বিকল্প হিসেবে স্কালোনি পাঁচ ডিফেন্ডারের ফরমেশনও অনুশীলন করিয়েছেন। সেখানে জুলিয়ানো সিমেওনে ও নিকোলাস গনসালেসকে উইং-ব্যাক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। বিশ্বকাপের নির্দিষ্ট কিছু ম্যাচ পরিস্থিতিতে এই কৌশল দেখা যেতে পারে। দলের ভেতরের ছবিটা বুঝতে বিশ্বকাপ মিশনের আনুষ্ঠানিক শুরুর আগে তাই স্কালোনির সংবাদ সম্মেলনের দিকে তাকিয়ে ছিল আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ও ফুটবলভক্তরা।
সংবাদ সম্মেলনে পাওয়া উত্তরগুলো বাংলাদেশের আর্জেন্টিনার ভক্তদের কাছে পৌঁছে যেতে অনেক দেরি। তবে এটা বলা যায়, গত কিছুদিনে চোটসংক্রান্ত যাবতীয় চিন্তা কাটিয়ে আর্জেন্টিনা এখন অনেকটা স্বস্তিতে, লিওনেল মেসির দল প্রস্তুত কানসাসে দারুণ কিছু উপহার দিয়ে বিশ্বকাপযাত্রা শুরু করতে। তার আগে তারা পেয়েছে একটা সুখবর, ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর দল হিসেবে শুরু করতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ অভিযান।

আমি কেঁদেছিলাম কারণ আমি আমার দাদা-দাদীর কাছে বড় হয়েছি। দুর্ভাগ্যবশত আজকের এই দিনে তাঁরা এখানে নেই। কয়েক বছর আগে তাঁরা মারা গেছেন। তাঁরাই ছিলেন আমার সব, আমার জীবনের সবকিছু। আর (কেঁদেছি) আমার মায়ের কারণে। ভিসার কারণে তিনি এখানে আসতে পারেননি। ভিসার জন্য যে টাকা দিতে হয়, সেটার কারণে আমরা সময়মতো গুছিয়ে উ
৩০ মিনিট আগে
আর্জেন্টিনার জার্সিতে ২০০তম ম্যাচ খেলতে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি। তাঁকে নিয়ে কোচ বলেন, ‘সবাই তাকে মাঠে দেখতে চায়। সবার মনে সে এই অনুভূতিটাই জাগিয়ে তোলে এবং আমার কাছে এটা সবসময় এমনই থাকবে। মাঠে তার উপস্থিতি নিয়ে আমি কোনো নেতিবাচক দিক দেখি না। সে সবসময়ই অপরিহার্য ছিল, আর এখন আরও বেশি।’
১ ঘণ্টা আগে
সমতার পর শেষ দিকে দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ৮২ মিনিটে বেলজিয়ামের ব্র্যান্ডন মেখেলের একটি জোরালো হেডার শূন্যে লাফিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় রক্ষা করেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবের। ম্যাচের ৮৯ মিনিটে পেনাল্টির জোরালো আবেদন জানায় মিসর। ডি-বক্সের ঠিক লাইনে জিজো ফাউলের শিকার হলে মাঠের রেফারি তাতে সাড়া দ
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের শুরুতেই স্পেনের মতো দলকে রুখে দিয়ে কেপ ভার্দের কোচ বুবিস্তা যেন বিশ্বফুটবলকে একটি বার্তাই দিয়ে রাখলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষের কাছে এই ফলের অর্থ অনেক বড়। আমরা চেয়েছিলাম বিশ্ব দেখুক আমাদের দল মাঠের ফুটবলে কতটা লড়াকু; আমরাই তো ঘুরে দাঁড়ানোর এবং সহনশীলতার আসল রূপ।’
২ ঘণ্টা আগে