চলতি মৌসুমে লিগ ওয়ানে অজেয় দল হয়ে উঠেছিল প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন (পিএসজি)। অবশেষে গতকাল পিএসজির অপরাজেয় থাকার দৌড় থামিয়েছে লাঁস। বোলার্ট ডেলেসিস স্টেডিয়ামে প্যারিসিয়ানদের উড়িয়ে দিয়েছে লাঁস। তাতে লাঁস কোচ ফ্র্যাংক হেইস বেশ হতবাক হয়েছেন।
প্রথম ১৬ ম্যাচ অপরাজিত থেকে পিএসজি গতকাল খেলতে নেমেছিল লাঁসের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে পিএসজির আধিপত্য বেশি ছিল। প্যারিসিয়ানরা বল দখলে রেখেছিল ৬০ শতাংশ। লক্ষ্য বরাবর পিএসজির শট ছিল ৬টি আর লাঁসের ছিল ৪টি। তবু পিএসজির বিপক্ষে ৩-১ গোলের বড় জয় পেয়েছে স্বাগতিকেরা। যেখানে লাঁজের পক্ষে গোল করেন রিমিস্ল ফ্রাংকোস্কি, লুইস ওপেন্দা ও অ্যালেক্সিস ক্লদি মরিস আর পিএসজির একমাত্র গোলটি করেন হুগো একিতিকে। দলের বড় ব্যবধানে জয় যেন বিশ্বাসই করতে পারছেন না লাঁজ কোচ হেইস। হেইস বলেন, ‘কী হলো এখানে? আমরা তাদের উড়িয়ে দিয়েছি।’
চলতি মৌসুমে লিগ ওয়ানে ১৭ ম্যাচ খেলেছে লাঁস। ১২ জয়, ৪ ড্র ও ১ পরাজয়ে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে লাঁস। শীর্ষে থাকা পিএসজির পয়েন্ট ৪৩। প্যারিসিয়ানরাও খেলেছে ১৭ ম্যাচ এবং গতকাল লিওনেল মেসি, নেইমারের মতো তারকা ফুটবলারদের ছাড়া খেলতে নেমেছিল।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
১ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে