
কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে ২–১ গোলে হেরে শেষ হয়েছে নরওয়ের স্বপ্নের বিশ্বকাপ অভিযান। বিদায়ের একটা কষ্ট থাকলেও বিশ্বকাপে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশ নন আর্লিং হালান্ড। বরং তাঁর বিশ্বাস, ২০২৬ বিশ্বকাপ নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসে একটি মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া অধ্যায় হয়ে থাকবে।
হালান্ড মনে করেন, এই দল শুধু কয়েকটি ম্যাচ জেতেনি, বিশ্ব ফুটবলে নরওয়ের পরিচিতিও নতুনভাবে তুলে ধরেছে। ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছানো, শেষ ষোলোয় পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে বিদায় করা এবং পুরো টুর্নামেন্টে আক্রমণাত্মক ফুটবল—সব মিলিয়ে নরওয়ে নিজেদের নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। তাঁর ভাষায়, ‘আমরা নরওয়েকে বিশ্ব মানচিত্রে তুলে ধরেছি—এটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি স্পর্শ করে। আশা করি এখান থেকেই ইউরো, বিশ্বকাপ—সব বড় টুর্নামেন্টে নিয়মিত খেলার ভিত্তি তৈরি হবে। আমাদের প্রজন্ম অসাধারণ, আর এই সাফল্য নরওয়ের তরুণদের বিশ্বাস জোগাবে যে নরওয়ের জার্সি গায়েও বিশ্বমঞ্চে বড় কিছু করা সম্ভব।’
এই বিশ্বকাপে হালান্ডই উদ্ভাসিত নরওয়ের প্রতিচ্ছবি। নিজেদের প্রথম চারটি ম্যাচেই সাত গোল করেছেন হালান্ড। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো গোল না পেলেও পুরো আসরে তাঁর গোলসংখ্যা ছিল ৭, যা তাঁকে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও রেখেছে। ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ ষোলোয় তাঁর জোড়া গোলই ছিল নরওয়ের ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি মাঠের বাইরেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন ২৫ বছর বয়সী এই তারকা। নতুন প্রজন্মের সমর্থকদের কাছে তাঁর ব্যক্তিত্ব ও গোল করার ক্ষমতা নরওয়ের ফুটবলকে আরও পরিচিত করে তুলেছে।
হালান্ড মনে করেন, এই বিশ্বকাপ শুধু তাঁর ক্যারিয়ার নয়, নরওয়ের ফুটবলের ভবিষ্যৎও বদলে দিতে পারে। তিনি বলেন, ‘গত ছয় সপ্তাহ যেন এক রোমাঞ্চকর যাত্রা। আমার বিশ্বাস, এই বিশ্বকাপ নরওয়েকে বদলে দেবে, আমাকে বদলে দেবে। আমরা অনেক দিন ধরেই একটি ভিত্তি তৈরি করছি। এখন সেটাকে ধরে রাখাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রমাণ করেছি, নরওয়েও বিশ্বের অন্যতম বড় ফুটবল শক্তি হতে পারে।’
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে প্রচণ্ড গরমে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন হালান্ড। দ্বিতীয়ার্ধে পায়ে চোটও পান তিনি। সে কারণেই অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধ শেষে তাঁকে তুলে নেন কোচ স্টালে সোলবাকেন। কোচের ভাষায়, ‘ওকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তটা কঠিন ছিল না। ও পুরোপুরি ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল, হয়তো আরও আগেই তুলে নেওয়া উচিত ছিল। টানা ম্যাচের পর ম্যাচ ও নিজের সব শক্তি নিংড়ে দিয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে পায়েও আঘাত পেয়েছিল। তারপরও আমাদের জন্য পাঁচ ম্যাচে সাত গোল করেছে। ওর বিশ্বকাপ ছিল অসাধারণ।’
বিদায়টা কষ্টের হলেও নরওয়ের জন্য এই বিশ্বকাপ রেখে গেল নতুন পরিচয়, নতুন আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যতের বড় স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের কেন্দ্রে আছেন আর্লিং হালান্ড।

ফুটবল বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখতে আর্জেন্টিনা কেবল দুই ম্যাচ দূরে। সেমিতে ইংল্যান্ড-বাধা পেরিয়ে নিউজার্সিতে ১৯ জুলাই জিততে পারলেই অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি গড়বে লিওনেল স্কালোনির দল। তবে অপ্টা সুপারকম্পিউটারের মতে, আকাশী নীলদের শিরোপা ধরে রাখার সম্ভাবনা খুবই কম।
১১ মিনিট আগে
আর্জেন্টিনা দলের যেকোনো কার্যক্রমে সবার আগে যাঁকে খোঁজা হয়, তিনি লিওনেল মেসি। আজ কানসাসের ট্রেনিং সেন্টারেও যথারীতি সংবাদমাধ্যমের চোখ খুঁজছিল মেসিকেই। স্থানীয় সময় বিকেল ৬টায় দলের অনুশীলনে অধিকাংশকেই দেখা গেল। কিন্তু মেসি কোথায়?
৩৫ মিনিট আগে
সুইসদের বিপক্ষে মেসিদের দারুণ এক জয়ের পর কানসাস স্টেডিয়ামের মিডিয়া সেন্টারে দেখা হতেই আর্জেন্টিনার টেলিভিশন টেলেফের সাংবাদিক এমিলিয়ানো লাপোলা ভ্রু বাঁকিয়ে বললেন, ব্রিটিশ মিডিয়া তো ‘খেলা’ শুরু করে দিয়েছে, দেখেছেন? কী খেলা, জানতে চাইলে তাঁর উত্তর, ‘মনস্তাত্ত্বিক খেলা! আর্জেন্টিনা দলকে নিয়ে যত নেতিবাচক
২ ঘণ্টা আগে
উইম্বলডন শিরোপা ধরে রাখলেন ইয়ানিক সিনার। লন্ডনে গতকাল আলেকজান্ডার জভেরেভের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস জয়ে ফের এই টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতলেন সিনার। টানা দুইবার উইম্বলডন জিতে সিনার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন। রুদ্ধশ্বাস জয় বলে নয়, মাস দুই আগেও যে অবস্থায় ছিলেন, সেখান থেকে প্রত্যাবর্তনে আবেগ ধরে রাখাই কঠিন হয়ে পড়ে
২ ঘণ্টা আগে