রাজধানীর শাহবাগ এলাকার পৃথক স্থান থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা তিনজনই ভবঘুরে প্রকৃতির বলে জানা গেছে। মরদেহগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
আজ রোববার সকালে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে শাহবাগ থানা–পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, রাজধানীর আনন্দ বাজার অমর একুশে হলের সামনে থেকে মো. হাবিব (৫০) আমান হোসেন (৬০) ও ঢাকা মেডিকেল জরুরি বিভাগের পাশ থেকে আনুমানিক ৪০ বছর বয়সী অজ্ঞাত পরিচয়ের একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আল মামুন জানান, সকালে আনন্দ বাজার এলাকায় অমর একুশে হলের পাশের ফুটপাত থেকে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মামুন আরও জানান, প্রথমে তাঁদের পরিচয় জানা যায়নি। পরে বিকেলে সিআইডি ফরেনসিক বিভাগ দুজনের আঙুলের ছাপ থেকে পরিচয় শনাক্ত করে। আমান হোসেন রাজধানীর বংশাল এলাকার ও মো. হাবিব মতিঝিল এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তাঁরা দুজনই ভবঘুরে জীবন যাপন করতেন।
এ দিকে শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. স্বপন মিয়া জানান, সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশ থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। যার বয়স আনুমানিক (৪০) বছর। তাঁর পরিচয় শনাক্তের জন্য সিআইডির ফরেনসিক টিমকে জানানো হয়েছে।
পুলিশের ধারণা–তিনজনেরই অসুস্থতাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে।

এনবিআরের কাস্টমস বিভাগের সহকারী কমিশনার জাহাঙ্গীর কবির ও মবিন উল ইসলাম, সাবেক সহকারী কমিশনার মো. জয়নাল আবেদীন, রাজস্ব কর্মকর্তা জমির হোসেন, রাজস্ব কর্মকর্তা এ এইচ এম নজরুল ইসলাম, আমির হোসেন সরকার, গৌরাঙ্গ চন্দ্র চৌধুরী, ফরিদ উদ্দিন সরকার ও মো. মঞ্জুরুল হক, সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা...
৯ মিনিট আগে
কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে ফেনী নদীর পানি বেড়েছে। এতে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার কয়েকটি এলাকার বসতবাড়ি, ফসল ও মৎস্য খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্গত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি)।
১৫ মিনিট আগে
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় একটি মাইক্রোবাস থেকে গলদা চিংড়ির রেণু জব্দ করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। পরে রেণুগুলো মধুমতী নদীতে অবমুক্ত করা হয়। এ সময় মাইক্রোবাসে থাকা শ্রমিককে এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
১৯ মিনিট আগে
হবিগঞ্জে বন্যার পানি কমতে শুরু করায় আশ্রয়কেন্দ্র ও প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে মানুষ নিজ ঘরে ফিরছে। তবে কাদা, ভাঙাচোরা ঘরবাড়ি ও ক্ষয়ক্ষতিতে দুর্ভোগ কমেনি। খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত ৩৫ গ্রামের অন্তত ৫০ হাজার মানুষের মধ্যে রানু বেগম ও সেলিনা বেগমের মতো অনেকেই ঘর হারিয়ে সহায়তা চাইছেন।
২২ মিনিট আগে