সাধারণত ফুটবলে কোনো দলের ‘প্রাণ’ হচ্ছেন মিডফিল্ডের খেলোয়াড়েরা। মিডফিল্ডারদের কেন্দ্র করেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় দলগুলো। সেদিক থেকে অ্যাক্সেসিস বেকা বেকাও হচ্ছেন লিগ ওয়ানের ক্লাব নিসের প্রাণ। ফ্রান্সের এই ফুটবলারও যে একজন মিডফিল্ডার।
কিন্তু গতকাল নিজের প্রাণকেই রক্ষা করতে পারছিলেন না বেকা বেকা। হতাশায় আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন তিনি। নিস শহরের উত্তর–দক্ষিণ অঞ্চলে অবস্থিত ১০০ মিটার উঁচুতে নির্মিত ব্রিজ মগান ভায়াডাক্ট থেকে লাফিয়ে পড়ার হুমকি দেন ২২ বছর বয়সী মিডফিল্ডার।
বেকা বেকার এই সংবাদ শোনার পর স্থানীয় পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। একজন মনোবিদের সহায়তায় পরে তাঁকে আত্মহত্যা থেকে বিরত করা হয়। তাঁর এই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে ছয় কিলোমিটার জুড়ে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছিল। কেন তিনি নিজেকে শেষ করতে চেয়েছিলেন তা অবশ্য জানা যায়নি।
ফ্রান্সের সংবাদমাধ্যম আরএমসি স্পোর্টস ও নিস–মাটিন জানিয়েছে, প্রেমিকার সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন তিনি। তবে এমন খবরকে মিথ্যা বলে জানিয়েছেন বেকা বেকার এজেন্ট। ফরাসি সংবাদমাধ্যম ইনস্ট্যান্ট ফুটকে তিনি বলেছেন, ‘সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার কারণে যে সংবাদ প্রকাশ হচ্ছে তা মিথ্যা। এই ঘটনার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। এটি প্রেক্ষাপটের বাইরে।’
২০২২ সালে রাশিয়ার ক্লাব লোকোমোটিভ মস্কো থেকে ফরাসি ক্লাবটিতে যোগ দেন বেকা বেকা। সর্বশেষ মৌসুমে খেললেও এ মৌসুমে এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচ খেলেননি তিনি। তাঁর এই পরিস্থিতির কারণে গতকাল নিসের সংবাদ সম্মেলন বাতিল হয়েছে। ফরাসি মিডফিল্ডারের ফিরে আসায় ক্লাবের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘শেষ পর্যন্ত সবকিছু ভালোভাবে হওয়ায় সবাই স্বস্তি বোধ করছে।’

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে