অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় গত রাতে বায়ার্ন মিউনিখ-দিনামো জাগরেব ম্যাচের প্রথম ১৮ মিনিট পর্যন্ত পরিবেশ ‘শান্তই’ ছিল। গোলশূন্য অবস্থা থেকে গোলবন্যার শুরু এরপর থেকেই। শেষ ৭২ মিনিটে হয়েছে ১১ গোল, যেখানে বায়ার্ন দিল ৯টি। চ্যাম্পিয়নস লিগে গোলবন্যার রাতে রেকর্ড বইয়ে নাম লেখালেন হ্যারি কেইনও।
বায়ার্ন মিউনিখের গোলবন্যার রাতে কেইন দিয়েছেন ৪ গোল। এই চারটির তিনটিই এসেছে পেনাল্টি থেকে। তাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের নির্দিষ্ট কোনো ম্যাচে প্রথম ফুটবলার হিসেবে পেনাল্টির হ্যাটট্রিক করেছেন তিনি। একই সঙ্গে বায়ার্নের জার্সিতে সব রকমের প্রতিযোগিতা মিলে গোলের ফিফটি পূর্ণ করেছেন। ম্যাচটিও ছিল তাঁর ক্লাবটির হয়ে ৫০তম ম্যাচ। এখন পর্যন্ত তিনি করেছেন ৫৩ গোল।
চ্যাম্পিয়নস লিগের ৩৩ বছরের পুরোনো এক রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছেন কেইন। ১৯৯১ সালের পর প্রথম ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে টুর্নামেন্টটির ইতিহাসে কোনো ম্যাচে ৪ গোল করলেন তিনি। ৩৩ বছর আগে টুর্নামেন্টটির নাম যখন ইউরোপিয়ান কাপ ছিল, তখন
আর্সেনালের হয়ে এই কীর্তি গড়েন অ্যালান স্মিথ। এফকে অস্ট্রিয়া উইয়েনের বিপক্ষে ১৯৯১ সালে ৪ গোল করেছিলেন কেইন।
৯ গোল করে রিয়াল মাদ্রিদের এক রেকর্ডের কথা মনে করাল বায়ার্ন। এফসি ওয়াকার ইনসবার্কের বিপক্ষে ১৯৯০ সালে ৯-১ গোলের জয় পেয়েছিল রিয়াল। তখন চ্যাম্পিয়নস লিগের নাম ছিল ইউরোপিয়ান কাপ।
বায়ার্নের গোলবন্যার রাতে পাঁচ ফুটবলার গোল করেছেন। শুরুটা ১৯ মিনিটে পেনাল্টি দিয়েই করেন কেইন। ৫৭, ৭৩, ৭৮ মিনিটে বাকি তিন গোল করেন তিনি। যেখানে ৫৭ মিনিটে কেইন গোল করেন এক রিবাউন্ড শটে। জোড়া গোল করেন মাইকেল ওলিসে। তাঁর গোল দুটি এসেছে ৩৮ ও ৬১ মিনিটে। একটি করে গোল করেন রাফায়েল গেরেইরো, লিরয় সানে ও লিওন গোরেতজকা। যেখানে ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত দ্বিতীয় মিনিটে গোল করেন গোরেতজকা। বায়ার্নের ৯-২ গোলে জয়ের রাতে জাগরেবের গোল দুটি করেন ব্রুনো পেতকোভিচ ও তাকুয়া ওগিয়োরা।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
৪ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
৪ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৫ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৬ ঘণ্টা আগে