দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম মৌসুমেই বার্নলিকে প্রিমিয়ার লিগে ফেরান ভিনসেন্ট কোম্পানি। কিন্তু এক মৌসুম পর আবারও চ্যাম্পিয়নশিপে ফিরে গেছে দলটি। এবার টার্ফ মুর ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন কোম্পানিও।
তাহলে ৩৮ বছর বয়সী বেলজিয়ান কোচের পরবর্তী গন্তব্য কোথায়? সেটি এখনো ঠিক হয়নি বটে, তবে জোরেশোরে বায়ার্ন মিউনিখে যাওয়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে তাঁর। আলিয়েঞ্জ অ্যারেনায় টমাস টুখেলের স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন কোম্পানি। বেশ কয়েকটি বিদেশি ক্রীড়ামাধ্যম এমনটাই জানিয়েছে।
টকস্পোর্ট জানিয়েছে, বায়ার্নের কোচ হওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন কোম্পানি। ডেইলিস্পোর্টস ডট নেটের শিরোনাম, ‘বার্নলির প্রধান কোচের মিউনিখে আসার গুঞ্জনে সাড়া দিয়েছেন বায়ার্নের প্রেসিডেন্ট’। গোল ডটকমসহ আরও বেশ কিছু ক্রীড়ামাধ্যম জানিয়েছে, কোম্পানি বায়ার্নে যেতে পারেন। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এ নিয়ে দুই পক্ষের কেউ এখনো মুখ খোলেনি।
২০১৯ সালে ম্যানচেস্টার সিটি ছাড়ার পর নিজের প্রথম ক্লাব আন্ডারলেখটে ফিরে যান কোম্পানি। এক বছর পর সেখানেই বুটজোড়া তুলে রাখার ঘোষণা দিয়ে বেলজিয়ান ক্লাবটির ডাগআউটে দাঁড়ান তিনি। তবে আন্ডারলেখটে তাঁকে ২০১৯ সালেই খেলোয়াড় ও কোচ—দুই ভূমিকায় দেখা যায়। সেখানের সাফল্যে কোচ হয়ে ২০২২ সালে ইংলিশ ফুটবলে ফেরেন কোম্পানি। তাঁর অধীনে প্রথম মৌসুমেই চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে এক মৌসুম পর প্রিমিয়ার লিগে ফেরে বার্নলি।
কিন্তু সেই জাদু কোম্পানি দেখাতে পারেননি লিগে। বার্নলি ২০২৩-২৪ মৌসুম শেষ করেছে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে, ১৯তম স্থানে থেকে। আবারও অবনমন হয়ে দলটি নেমে গেছে দ্বিতীয় বিভাগে। মৌসুম শেষ হতেই গুঞ্জন—বার্নলি ছেড়ে বায়ার্নে যেতে পারেন কোম্পানি।
টুখেলকে আলিয়েঞ্জ অ্যারেনা রাখবে বায়ার্ন, সেটি মৌসুমে মাঝপথেই জানিয়েছিল ক্লাবটির কর্তৃপক্ষ। জার্মান কোচ চলে যাওয়ায় খালি হয়ে গেছে বাভারিয়ানদের প্রধান কোচের পদ। মাঝখানে জার্মান জায়ান্টদের দায়িত্ব নেওয়া নিয়ে বেশ কয়েকজন কোচের নাম শোনা গিয়েছিল। তবে ক্লাবটি এখনো কাউকে নিয়োগ দেয়নি।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
৪ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
৪ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৫ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৬ ঘণ্টা আগে