বিশাখাপত্তনমে গতকাল দিল্লি ক্যাপিটালসকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। ব্যাটিং-বোলিং কোথাও পাত্তা পায়নি দিল্লি। বিধ্বস্ত হওয়ার পর দিল্লিকে দুঃসংবাদও শুনতে হয়েছে। অধিনায়ক ঋষভ পন্তসহ দলটির ক্রিকেটারদের গুনতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা জরিমানা।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) আজ এক বিবৃতিতে পন্তসহ দিল্লির ক্রিকেটারদের জরিমানার কথা নিশ্চিত করেছে। জরিমানার কারণ মূলত স্লো ওভার রেট। এ কারণে কলকাতার বিপক্ষে বোলিংয়ের শেষ কয়েক ওভার দিল্লিকে ৩০ গজ বৃত্তের মধ্যে বেশি ফিল্ডার নিয়ে খেলতে হয়েছে। দিল্লি অধিনায়ক পন্তকে করা হয়েছে ২৪ লাখ রুপি জরিমানা, বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৩১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। জরিমানার ব্যাখ্যায় আইপিএল কর্তৃপক্ষ বলেছে, ‘আইপিএলের আচরণবিধির আওতায় ওভার রেটের সমস্যার কারণে এটা তার দলের দ্বিতীয় অপরাধ। এ কারণে পন্তকে ২৪ লাখ ভারতীয় রূপি জরিমানা করা হয়েছে। একাদশে থাকা বাকি ক্রিকেটার, এমনকি ইমপ্যাক্ট খেলোয়াড়—প্রত্যেককেই ৬ লাখ রুপি করে জরিমানা করা হয়েছে। যা তাঁদের ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ।’
টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে কলকাতা করে ৭ উইকেটে ২৭২ রান। যা আইপিএল ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর। পাহাড়সমান লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৭.২ ওভারে ১৬৬ রানে অলআউট হয়ে যায়। ১০৬ রানে জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছে কলকাতা। ৩ ম্যাচে ৩ টিতে জিতে দলটির পয়েন্ট ৬, নেট রানরেট + ২.৫১৮। বিশাল ব্যবধানে হেরে যাওয়া দিল্লি এখন পয়েন্ট তালিকার ৯ নম্বরে। ৪ ম্যাচে ১ জয় ও ৩ পরাজয়ে ২ পয়েন্ট পেয়েছে দলটি। নেট রানরেট ১.৩৪৭।
এবারের আইপিএলে দিল্লি স্লো ওভার রেটের প্রথম ঘটিয়েছে এই সপ্তাহেই। বিশাখাপত্তনমে চলতি সপ্তাহের রোববার দিল্লির প্রতিপক্ষ ছিলে চেন্নাই সুপার কিংস। চেন্নাইকে ২০ রানে হারিয়েছিল দিল্লি।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৫ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে