
বিরাট কোহলি থেকে নেতৃত্বের ভার উঠেছিল রোহিত শর্মার কাঁধে। ভারতীয় ওপেনার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে সিক্ত হয়েছিলেন দেশবাসীর ভালোবাসায়। কিন্তু মুদ্রার উল্টো পিঠও দেখতে হচ্ছে এখন।
সদ্য ঘরের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে ভারত। নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার এমন তিক্ত স্বাদ পাওয়ার পর রোহিতের অধিনায়কত্ব এখন যায় যায়। সামনে অস্ট্রেলিয়ায় বোর্ডার-গাভাস্কার সিরিজ। সেই সফরে তাঁর খেলা নিয়েই দেখা দিয়েছে শঙ্কা।
সাবেক ক্রিকেটার ও সমর্থকদের সমালোচনার তিরে বিদ্ধ তো হচ্ছেনই, এরই মধ্যে ৩৭ বছর বয়সী রোহিতের উত্তরসূরিও খোঁজা শুরু করে দিয়েছেন অনেকে। ভারতের সাবেক ব্যাটার মোহাম্মদ কাইফ নিজের পছন্দের অধিনায়কের নামও জানিয়ে দিয়েছেন। কিউই সিরিজে দারুণ ব্যাট করা উইকেটরক্ষক ঋষভ পন্তকেই পছন্দ তাঁর।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে স্পোর্টস টক নামে এক লাইভ সেশনে ভারতের ভবিষ্যৎ টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে পন্তকেই এগিয়ে রাখছেন কাইফ। এই ২৭ বছর বয়সী উইকেটরক্ষক-ব্যাটারের ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসাও করেছেন তিনি। ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনে ছন্দময় ব্যাটিং দিয়ে পন্ত নিজেকে প্রমাণ করেছেন মনে করেন কাইফ।
ভারতের সাবেক কিংবদন্তি ফিল্ডার বলেছেন, ‘বর্তমান দলের মধ্যে শুধু ঋষভ পন্তই টেস্ট অধিনায়ক হওয়ার একমাত্র দাবিদার। সে এটার যোগ্য। যখন সে খেলে, ভারত দলকে সামনে এগিয়ে নেয়। যে নম্বরেই সে ব্যাটিংয়ে নামুক না কেন, সে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলতে প্রস্তুত থাকে। সে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া বা দক্ষিণ আফ্রিকার মতো কন্ডিশনেও রান করেছে। সে পরিপূর্ণ এক ব্যাটার।’

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৩ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে