Ajker Patrika

‘নাহিদ রানা বাংলাদেশের বড় প্লাস পয়েন্ট, নতুন সেনসেশন’

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
‘নাহিদ রানা বাংলাদেশের বড় প্লাস পয়েন্ট, নতুন সেনসেশন’
গতির ঝড়ে প্রতিপক্ষকে কাঁপিয়ে দিচ্ছেন নাহিদ রানা। ছবি: ক্রিকইনফো

বল তো নয়, যেন আগুনের গোলা ছোড়েন নাহিদ রানা। ব্যাটারদের কাছে রীতিমতো যমে পরিণত হয়েছেন রানা। ইয়ান বিশপ, ওয়াকার ইউনিস, ওয়াসিম আকরামদের মতো ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরাও রানার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। আশিকুর রহমান মজুমদারের চোখে রানার মতো পেসার বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ।

মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে নাজমুল হোসেন শান্ত ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতলেও সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার বাসিত আলীর চোখে রানা ম্যাচসেরা। বাসিতের মতে রানার নাম শুনলেই পাকিস্তান কাঁপে। ২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাঠে গিয়ে কাঁপিয়ে এসেছিলেন রানা। টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে পিএসএলে পেশোয়ার জালমিকে চ্যাম্পিয়ন করেছেন তাঁর গতির ঝড়ে।

এক সময়ে জোয়েল গার্নার, ম্যালকম মার্শালের মতো ক্যারিবীয় পেসার, অস্ট্রেলিয়ার ব্রেট লি, গ্লেন ম্যাকগ্রা, পাকিস্তানের ওয়াসিম,ওয়াকারদের নিয়ে এক সময় যে আলোচনা হতো, এবার রানাকে নিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে হই চই পড়ে গিয়েছে। রানার উপস্থিতি দলকে কতটা উজ্জীবিত করে—সিলেটে আজ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের ফিল্ডিং কোচ আশিক বলেন, ‘এটা খুব ভালো একটা দিক। আমাদের দেশে আগেও ১৪০-১৪৫ গতিতে বোলিং করার মতো বোলার ছিল। তবে নাহিদ রানা আমাদের পেস বোলিংয়ের নতুন এক সেনসেশন। বাংলাদেশের জন্য একটা বড় প্লাস পয়েন্ট।’

তাসকিন আহমেদ ১২ বছর ধরে খেলছেন বাংলাদেশের জার্সিতে। গতির চেয়েও নিখুঁত লাইন লেংথে উইকেট তুলে নিতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। ব্যাটারদের সঙ্গেও মনঃস্তাত্ত্বিক খেলা খেলতে পারেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই পেসার। রানা-তাসকিনের পাশাপাশি শরীফুল ইসলাম, ইবাদত হোসেন চৌধুরীদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন আশিক, ‘আমাদের তাসকিনও ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বোলিং করে। ইবাদত আর শরীফুলও ভালো বোলিং করছে। নাহিদ রানার মতো পেসার আমাদের দলে থাকাটা ইতিবাচক দিক।’

হাঁটুর চোটে পড়ায় বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে খেলতে পারেননি বাবর আজম। প্রথম টেস্টে দুই অভিষিক্ত আজান আওয়াইস, আব্দুল্লাহ ফজল ছাড়া বাকিদের ব্যাট থেকে তেমন কোনো ঝলক দেখা যায়নি। সালমান আলী আঘা, মোহাম্মদ রিজওয়ান প্রথম ইনিংসে ফিফটি করলেও ব্যর্থ হয়েছেন দ্বিতীয় ইনিংসে।

দ্বিতীয় টেস্টে বাবরের ফেরা নিয়ে আলোচনা চলছে। এটা নিয়ে তেমন একটা দুশ্চিন্তা করছেন না আশিক। আজ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের ফিল্ডিং কোচ বলেন, ‘আমার কাছে তেমন কিছু মনে হয় না। কারণ, আমাদের ক্রিকেটাররা অনেক অভিজ্ঞ এবং উজ্জীবিত। তা ছাড়া তাদের সঙ্গে আমাদের ক্রিকেটাররা অনেকদিন ধরেই খেলছে। তারা জানে তার (বাবর) শক্তির জায়গা কোনটা আর দুর্বলতার জায়গা কোনটা।’

ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি আশিকের চোখে স্পষ্ট হয়ে পড়েছে। ডাইভ দিয়ে ক্যাচ ধরার পাশাপাশি দ্রুত গতির বল ছোঁ মেরে তালুবন্দী করছেন সাদমান ইসলাম, নাজমুল হোসেন শান্তরা। তাঁর দৃষ্টিতে ফিল্ডিংয়ে বিশ্বের সেরা দুইয়ে থাকার মতো দল বাংলাদেশ। আজ সিলেটে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের ফিল্ডিং কোচ বলেন, ‘আমাদের ক্রিকেটারদের মধ্যে একটা জিনিস আমি অনেক দিন ধরেই দেখতে পাচ্ছি। সেটা হলো তারা দ্রুত সব কিছু বুঝতে পারে। তাড়াতাড়ি মানিয়ে নিতে পারে। অনুশীলনের সময় সবকিছু দারুণভাবে করে তারা। আর ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার, ১৩৮ কিলোমিটার গতির যে বল সাদমান ক্যাচ ধরেছে, এত কাছ থেকে ধরা এবং ব্যাটার যেভাবে কাট শট খেলেছিল, তাতে ধরা সহজ না। আসলে সাদমানসহ আমাদের ক্রিকেটারদের মনোযোগ ক্ষমতা ১০০ তে ১০০।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পশ্চিমবঙ্গে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাইয়ে নিষেধাজ্ঞা বিজেপি সরকারের

দুদক আইন: কমিশনশূন্যতায়ও দুদক ‘সচল’ রাখতে আইন সংশোধন হচ্ছে

ইরান সংকট সমাধানে সির সহায়তা চান ট্রাম্প, বিনিময়ে কী ছাড়তে হবে

ফরিদপুরে বাসে চাঁদাবাজি, অভিযুক্তদের থানা থেকে ছাড়িয়ে নিলেন বিএনপি নেতা

সাবেক মন্ত্রী মোশাররফের জানাজা ঘিরে নিরাপত্তা বলয়

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত