
এক প্রান্তে মুড়ি-মুড়কির মতো উইকেট পড়ছে। প্রতিপক্ষের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। করলেন সেঞ্চুরি। তাঁর এই সেঞ্চুরিতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ। দিনের খেলা শেষে তিনি জানালেন, কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার।
টস জিতে আগে ব্যাটিং নিয়ে বাংলাদেশের স্কোর যখন ৫ উইকেটে ১০৫ রান, তখন ব্যাটিংয়ে নামেন মিরাজ। মুহূর্তেই সফরকারীরা পরিণত হয় ৬ উইকেটে ১১০ রানে। নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ কখন গুটিয়ে যায়, সেটাই ছিল দেখার অপেক্ষা। তবে মাথা ঠাণ্ডা রেখে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে শেষ অব্দি খেলেছেন মিরাজ। ছুঁয়েছেন তিন অঙ্ক। প্রথম দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ভিডিও বার্তায় তারকা অলরাউন্ডার বলেন, ‘প্রথম দিকে চ্যালেঞ্জিং ছিল উইকেটটা। আমি শুধু মেরিট অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করেছি।’
কোরি রোক্কিসিওলির ঘূর্ণিতে বাংলাদেশ চোখে রীতিমতো অন্ধকার দেখতে থাকে। ২৪ ওভারে ৮৩ রানে নিয়েছেন ৬ উইকেট। হাসান মাহমুদকে (৪) ফিরিয়ে রোক্কিসিওলি যখন নিজের ষষ্ঠ উইকেট নিয়েছেন, বাংলাদেশের স্কোর তখন ৯ উইকেটে ১৯৪ রান। সাত নম্বরে নামা মিরাজ তখনো ছিলেন উইকেটে। শেষ উইকেটে সৈয়দ খালেদ আহমেদের সঙ্গে ৬৯ রানের জুটি গড়েন মিরাজ। খালেদকে ফিরিয়ে জার্সিস ওয়াদিয়া বাংলাদেশের ইনিংসের ইতি টানেন। মিরাজ ১৪১ বলে ১১ চার ও ৪ ছক্কায় ১০৯ রান করে অপরাজিত থাকেন।
দলের বিপর্যয় সামলে কীভাবে সেঞ্চুরি করেছেন, ম্যাচ শেষে মিরাজ তা খোলাসা করেছেন। বিসিবির ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার বলেন, ‘বোলাররা খুব ভালো জায়গায় বোলিং করেছে। আর আমার জন্য একটু কঠিন ছিল যেহেতু প্রথমবার এই কন্ডিশনে খেলছি। উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ও জুটি গড়ার চেষ্টা করেছি। প্রথম দিকে রানের জন্য খেলিনি। চেষ্টা করেছি উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে। পরে যখন সুযোগ পেয়েছি, তখন রান হয়ে গিয়েছে। এভাবেই চিন্তা করেছি।’
২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে টেস্ট সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ। বর্তমান সিরিজের দলে থাকা মুশফিকুর রহিম, নাজমুল হোসেন শান্ত কারোরই ২০০৩ সালে বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হয়নি। সেবার খালেদ মাহমুদ সুজনের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দুটি ম্যাচই ইনিংসে হেরেছিল। যার মধ্যে ডারউইনেই একটি টেস্ট শেষ হয়েছিল তিন দিনেই।
সেই ডারউইনে এবার তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের শুরুটা ভালো করেছে বাংলাদেশ। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ যখন প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছে, তখন তাদের স্কোর ২ উইকেটে ৫১ রান। যেখানে ১ রানেই হারিয়ে ফেলে ২ উইকেট। ক্যাম্পবেল কেলাওয়েকে (০) বোল্ড করেন তাসকিন। আর হাসান মাহমুদ নিয়েছেন স্যাম কনস্টাসের উইকেট।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচটা মিরাজ দেখছেন মূল টেস্টের আগে প্রস্তুতি হিসেবে। বিসিবির ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমাদের সামনে টেস্ট আছে, এটা আমার জন্য অনেক আত্মবিশ্বাস দেবে এবং যে মানসিকতা নিয়ে খেলেছি এবং সেটা যদি চালিয়ে যেতে পারি, তাহলে আমার জন্য ভালো হবে এবং দলের জন্য ভালো হবে।’
ম্যাকেতে ২২ আগস্ট দ্বিতীয় তথা শেষ টেস্ট খেলতে নামবে দুই দল। আট ম্যাচে সাত জয়ে ৮৭.৫০ শতাংশ সফলতার হার নিয়ে ২০২৫-২৭ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে সবার ওপরে অস্ট্রেলিয়া। এই চক্রে চারে থাকা বাংলাদেশের সফলতার হার ৫৮.৩৩ শতাংশ।

প্রথম টেস্ট জয়ের পর এখন ফুরফুরে মেজাজে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাঠে প্রথমবার টেস্ট জয়, তাও আবার ৯ উইকেটে। চাট্টিখানি কথা তো নয়। ডারউইন থেকে ম্যাকেতে পৌঁছানোর পরও যে রেশটা রয়ে গেছে, সেটা ক্রিকেটারদের কথাবার্তায় স্পষ্ট। এমনকি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে নির্দিষ্ট কোনো ক্রিকেটার কথা বললেও পাশ থেকে অন্যান্যরাও ক
৪৪ মিনিট আগে
মা হারালেন শফিউল ইসলাম। সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় তিনি তা নিশ্চিত করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
আটলান্টায় ফুটবল বিশ্বকাপের আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল ম্যাচ রাজনৈতিকভাবে কতটা উত্তপ্ত ছিল, সেটা তো ম্যাচ শেষেই প্রমাণ হয়েছিল। ৪০ বছরেরও বেশি সময় আগে সংঘটিত সেই যুদ্ধই ছিল উত্তপ্ত হওয়ার কারণ। এবার এর রেশ দেখা গেল এক প্রীতি ম্যাচেও।
২ ঘণ্টা আগে
সবশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করেছিল পাকিস্তান। বাবর আজম টেস্ট অধিনায়কত্ব ফিরে পেয়ে দুর্দান্ত খেলেছিলেন। পুরোদস্তুর ‘ক্যাপ্টেন লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট’ও বলা যায়। পেয়েছিলেন সিরিজসেরার পুরস্কার। এবার ইংল্যান্ড সফরে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাবরকে পাচ্ছে না পাকিস্তান।
৩ ঘণ্টা আগে