
হারের বৃত্ত থেকে অবশেষে বেরোতে পেরেছে রাজস্থান রয়্যালস। টানা দুই ম্যাচ হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করা রাজস্থান গত রাতে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে পেয়েছে রুদ্ধশ্বাস জয়। কিন্তু উৎসবের মুহূর্তটা মাটি হতে বেশি সময় লাগেনি রিয়ান পরাগের। তাঁকে শাস্তি দিয়েছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ সময় গতকাল রাত ৮টায় শুরু হওয়া চেন্নাই সুপার কিংস-রাজস্থান রয়্যালস ম্যাচ শেষ হতে হতে প্রায় ১২টা বেজেছে। গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রায় ৪ ঘণ্টা ধরে চলা ম্যাচে মহেন্দ্র সিং ধোনি, রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ৭ রানে জিতেছে রাজস্থান। এই ম্যাচেই স্লো-ওভার রেটের কারণে রাজস্থান অধিনায়ক পরাগকে ১২ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ১৭ লাখ টাকা। আইপিএল এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আইপিএলের আচরণবিধির ২.২ অনুচ্ছেদ অনুসারে এটা তাদের দলের (রাজস্থান) প্রথম অপরাধ। স্লো-ওভার রেটের কারণে সংশ্লিষ্ট থাকায় পান্ডিয়ার জরিমানা হয়েছে ১২ লাখ রুপি।’
গুয়াহাটিতে টস জিতে গতকাল ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চেন্নাই অধিনায়ক গায়কোয়াড়। নীতিশ রানার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতেই (প্রথম ৬ ওভার) ১ উইকেটে ৭৯ রান তুলে ফেলে রাজস্থান। তবে চেন্নাইয়ের দুর্দান্ত বোলিংয়ে বিধ্বংসী এই শুরু ধরে রাখতে পারেনি রাজস্থান। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৮২ রানে থেমে যায় রাজস্থানের ইনিংস। ১৮৩ রানের লক্ষ্যে নামা চেন্নাইয়ের ইনিংস যতই শেষের দিকে গড়িয়েছে, ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ধোনি বাড়াতে থাকেন ম্যাচের রোমাঞ্চ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭৬ রানে থেমে যায় চেন্নাই। রাজস্থানের ৬ রানের জয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন রানা। ৩৬ বলে ১০ চার ও ৫ ছক্কায় করেছেন ৮১ রান।
এবারের আইপিএলে পরাগ দ্বিতীয় অধিনায়ক হিসেবে স্লো-ওভার রেটের শাস্তি পেয়েছেন। এর আগে এমন শাস্তি পেয়েছিলেন মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে পরশু রাতে গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে মুম্বাইয়ের ম্যাচে পান্ডিয়ার শাস্তি হয়েছিল। তাঁকেও ১৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন:

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১৪ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে