
ভক্ত-সমর্থকদের মাঠে ঢুকে পড়ার মতো ঘটনা এখন ঘটছে হরহামেশাই। ২২ মার্চ কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে এক ভক্ত এসে বিরাট কোহলির সঙ্গে দেখা করেছিলেন। আসামের গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে গতকাল রিয়ান পরাগের সঙ্গে ঘটেছে এমন ঘটনা। সামাজিক মাধ্যমে ভারতীয় এই ক্রিকেটারকে নিয়ে চলছে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ।
বর্ষাপাড়ে ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গতকাল আইপিএলে মুখোমুখি হয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও রাজস্থান রয়্যালস। কলকাতার ব্যাটিংয়ের সময় হঠাৎই এক ভক্ত মাঠে ঢুকে পড়ে পরাগের পায়ে লুটিয়ে পড়েন। নিরাপত্তাকর্মীদের ফাঁকি দিয়ে ভক্তের মাঠে ঢুকে পড়া নিয়ে নেটিজেনরা শুরু করেন ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ। এমন ঘটনায় পরাগকে নিয়ে অনেকেই কটাক্ষ করছেন। সামাজিক মাধ্যমে একজন লিখেছেন, ‘নিজের প্রচারের জন্য ভক্তকে রিয়ান ১০ হাজার রুপি দিয়েছিলেন এবং সেই ভক্ত এমন কাজ করেছেন। মানুষের নজরে আসতে কী কাজটাই না সে করল।’
পরাগের মতো ক্রিকেটারের পায়ে ভক্তের লুটিয়ে পড়া কেউ আবার বিশ্বাসই করতে চাইছেন না। সামাজিক মাধ্যমে কোনো একজন খোঁচা মেরে লিখেছেন, ‘রিয়ানের মতো খেলোয়াড়েরও ভক্ত আছে দেখে অবাক লাগছে। এমন খারাপ দিনও দেখা লাগল।’ কেউ আবার লিখেছেন, ‘তারকাপুজো সংস্কৃতি আসলে একটা রোগ। মাত্র একটা মৌসুমেই আইপিএলে ভালো খেলেছেন। তাতেই এমন ভক্ত পেয়ে গেলেন। সত্যি বলতে কোনো সহানুভূতিই নেই।’
এবারের আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালস দুই ম্যাচের দুটিই খেলেছে পরাগের নেতৃত্বে। ২ ম্যাচ হেরে পয়েন্ট টেবিলে দশ দলের মধ্যে ১০ নম্বরে আছে রাজস্থান। দলটির নেট রানরেট এখন -১.৮৮২। গতকাল বর্ষাপাড়ায় রাজস্থানকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে কলকাতা। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং পেয়ে রাজস্থান করেছে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৫১ রান। জয়ের লক্ষ্যে নেমে ১৭.৩ ওভারে ২ উইকেটে ১৫৩ রান করেছে কলকাতা। ৬১ বলে ৯৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন কলকাতার উইকেটরক্ষক ব্যাটার কুইন্টন ডি কক।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১৩ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে