
দলের বিপদে ত্রাতা বনে যাওয়া মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের কাছে নতুন কিছু নয়। দ্বিপক্ষীয় সিরিজ হোক বা আইসিসি ইভেন্ট, প্রতিপক্ষ বোলারদের সামনে মাহমুদউল্লাহ ঢাল হয়ে দাঁড়ান বারবার। ডালাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বিশ্বকাপে আজ বাংলাদেশ যে পা হড়কাতে গিয়েছিল, সেখান থেকে বাঁচিয়েছেন ৩৮ বছর বয়সী এই ব্যাটার। মাহমুদউল্লাহর এমন পারফরম্যান্সে রীতিমতো অবাক হার্শা ভোগলে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই মাহমুদউল্লাহর একসময় যতিচিহ্ন পড়ার মতো অবস্থা হয়ে গিয়েছিল। ২০২২-এর সেপ্টেম্বরের পর বাংলাদেশের জার্সিতে টি-টোয়েন্টিতে এ বছর ফিরেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দেড় বছর পর ফিরে আছেন দারুণ ছন্দে। ডালাসে ১২৫ রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের স্কোর যখন ১৪.১ ওভারে ৫ উইকেটে ৯৯, তখন ব্যাটিংয়ে নামেন মাহমুদউল্লাহ। উইকেটে আসার পর তিনি দেখেছেন সাকিব আল হাসান, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ—এই তিন সতীর্থের বিদায়। ২ ওভারে বাংলাদেশের ১১ রান প্রয়োজন হলেও হাতে ২ উইকেট থাকায় জয়ের জন্য পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছিল না। সে সময় ১৯তম ওভারের প্রথম বলে দাসুন শানাকাকে প্রথম বলে ছক্কা মেরে জয় অনেকটা নিশ্চিত করেন মাহমুদউল্লাহ। ১৩ বলে ১৬ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। হার্শা নিজের এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘বিশ্বাসই হচ্ছিল না যে মাহমুদউল্লাহকে বাংলাদেশ বাদ দিতে চেয়েছিল।’
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২৪ বলে ৪০ রানের বিস্ফোরক এক ইনিংস খেলেছেন তাওহিদ হৃদয়। মেরেছেন ১ চার ও ৪ ছক্কা। যার মধ্যে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে ছক্কার হ্যাটট্রিক করেছেন হৃদয়। লিটন দাস ৩৮ বলে ৩৬ রানের ইনিংস খেললেও সেটার প্রশংসা করেন হার্শা। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিজের সবশেষ দুই ইনিংসে লিটন আউট হয়েছেন ১৪ ও ১২ রান করে। হৃদয়, লিটনের প্রশংসা করে হার্শা বলেন, ‘তাওহিদ হৃদয়ের সম্পর্কে অনেক কথা শুনেছি। কোনো বাড়তি ছিল না। সে আসলেই দারুণ খেলোয়াড়। তবে বাংলাদেশের জন্য লিটনের ফর্মে ফেরাটা দরকার ছিল। বিশ্বাস করি যে সে বাংলাদেশের সাদা বলের সেরা ক্রিকেটার।’
বাংলাদেশকে বাঁচানোর ম্যাচে রেকর্ড বইয়েও নাম লিখিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি মেরেছেন ১৮৯ ছক্কা। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ছক্কায় তামিম ইকবালের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
টি–২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেট সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
৩৫ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে