ভারতীয় ক্রিকেটে কিছুদিন আগেও ছিল শাস্ত্রী-কোহলির রাজ। কোচ রবি শাস্ত্রী ও অধিনায়ক বিরাট কোহলির সমন্বয় ছিল চোখে পড়ার মতো। এমনকি শাস্ত্রীর ভারতীয় দলের কোচ হওয়ার পেছনেও বড় ভূমিকা ছিল কোহলির। কদিন আগে শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে শেষ হয়েছে ভারতীয় দলের শাস্ত্রী অধ্যায়। এর মধ্যে টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ান কোহলিও।
তবে নাটকীয়ভাবে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের আগে ওয়ানডে অধিনায়কত্বও হারাতে হয়েছে কোহলিকে, যা নিয়ে শুরু হয়েছে সৌরভ-কোহলি দ্বন্দ্ব। এই ইস্যু বোর্ড সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী যেভাবে সামলেছেন, তা পছন্দ হয়নি শাস্ত্রীর। বিষয়টি আরও ভালোভাবে সামলানো যেত বলে মনে করছেন সাবেক এই কোচ। বোর্ডের আচরণের সমালোচনা করলেও শাস্ত্রী অবশ্য সাদা বলে একজন অধিনায়ক থাকার পক্ষেই মত দিয়েছেন।
কোহলিকে ওয়ানডে অধিনায়কের পদ থেকে যেভাবে সরানো হয়েছে, তা পছন্দ হয়নি শাস্ত্রীর। তাঁর মতে, বিষয়টি আরও ভালোভাবে সামলানো যেত। কোহলির সাবেক এই গুরু বলেন, ‘এই সিস্টেমের সঙ্গে আমি অনেক বছর ধরে জড়িত। সাত বছর ধরে আমি এই দলের অংশ। আর সুন্দর যোগাযোগের মধ্যে বিষয়টি ভালোভাবে সামলানো যেত। এটাকে এভাবে জনসম্মুখে আনাই ভুল হয়েছে।’
কে সত্যি বলছেন আর কে মিথ্যা, সেই বিতর্কে না গিয়ে আরও স্বচ্ছতা থাকা উচিত ছিল বলে মনে করেন শাস্ত্রী, ‘কোহলি তার কথাগুলো বলেছে। এবার বোর্ড সভাপতির উচিত নিজের কথা স্পষ্টভাবে বলা। প্রশ্ন এটা না যে, কে সত্যি বলছে। প্রশ্ন হচ্ছে, সত্যিটা আসলে কী! আপনি সত্যিটা জানতে চান, আর সেটি সামনে আসবে যোগাযোগ ও আলাপের মধ্য দিয়ে।’

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২১ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে