সৌদি প্রো লিগের নতুন মৌসুমে দাপটের সঙ্গে খেলছে আল ইত্তিহাদ। প্রতিপক্ষদের জালে গোলের বন্যা বইয়ে দিচ্ছে তারা। গতকালও বিশাল জয় পেয়েছে আল ইত্তিহাদ। দলের দুর্দান্ত জয়ে অবদান রেখেছেন করিম বেনজেমা।
প্রিন্স ফয়সাল বিন ফাহাদ স্টেডিয়ামে আল ইত্তিহাদের প্রতিপক্ষ ছিল আল রিয়াদ। ১৭ মিনিটে বেনজেমার গোলে এগিয়ে যায় আল ইত্তিহাদ। এবার তাঁকে অ্যাসিস্ট করেছেন রোমারিনহো। ২৫ মিনিটে পেনাল্টিতে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আল ইত্তিহাদের স্ট্রাইকার আবদেররাজ্জাক হামদাল্লাহ। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন হামদাল্লাহ। প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে শেষ করে আল ইত্তিহাদ। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই গোল করার চেষ্টা করছিল। তবে কেউই গোলের দেখা পাচ্ছিল না। এরপর শেষ মুহূর্তে এসে গোলের দেখা পায় আল ইত্তিহাদ। বেনজেমার অ্যাসিস্টে অতিরিক্ত সময়ের ৩ মিনিটে গোল করেন সালেহ আল আমরি। আল রিয়াদের বিপক্ষে ৪-০ গোলের জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বেনজেমা। ফ্রান্সের এই স্ট্রাইকার নিজের ফেসবুক পেজে ‘টুগেদার’ লিখে আগুনের ইমোজি দিয়েছেন। ভক্ত সমর্থকদের ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে প্রিন্স আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল স্টেডিয়ামে আল আখদুদকে ১-০ গোলে হারিয়েছে আল আহলি সৌদি। অতিরিক্ত সময়ের ৬ মিনিটে রবার্তো ফিরমিনোর অ্যাসিস্টে গোল করেন ফ্র্যাংক কেসি। তাতে আল আহলি সৌদি, আল ইত্তিহাদে দুটো দলই টুর্নামেন্টে সমান ৯ পয়েন্ট করে পেয়েছে। তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শীর্ষে আল ইত্তিহাদ। টুর্নামেন্টে ৩ ম্যাচে ৯ গোল দিয়ে এক গোলও হজম করেনি তারা। আর আল আহলি সৌদি ৩ ম্যাচে দিয়েছে ৭ গোল আর হজম করেছে ২ গোল। এছাড়া আল রায়েদকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে আল হিলাল আর আল ইত্তিফাক-আল খালিজ ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র হয়েছে।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
২ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৩ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৪ ঘণ্টা আগে