
চোটের সঙ্গে নেইমারের শত্রুতা অনেক পুরোনো। মাঠে যতটুকু খেলতে পারেন, সেটার চেয়ে বেশি সময় কেটে যায় ম্যাচ না খেলে। অল্প সময় মাঠে নামার পরও তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যোগ হয়েছে মোটা অঙ্কের টাকা। ফ্রান্সের এক গণমাধ্যম দিয়েছে চোখ কপালে ওঠার মতো তথ্য।
কয়েক দিন আগে শেষ হওয়া ২০২৪ সালে নেইমার মাঠে নামার সুযোগ পাননি বললেই চলে। আল হিলালের হয়ে পুরো বছরে তিনি খেলেছিলেন কেবল দুই ম্যাচ। মাঠে থাকতে পেরেছিলেন ৪২ মিনিট। তবু ব্রাজিলের তারকা ফুটবলারকে বেতন দেওয়া বন্ধ করেনি আল হিলাল। ফ্রান্সের সংবাদমাধ্যম ফুট মেরকাটোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ১০ কোটি ১০ লাখ ইউরো আয় করেছেন নেইমার। বাংলাদেশি হিসেবে ১২৬৯ কোটি ২৭ লাখ টাকা। প্রতি সেকেন্ডের হিসেব করলে সেটা প্রায় ৫০ লাখ ৩৭ হাজার টাকা।
২০২৪ সালে নেইমার যে দুই ম্যাচ খেলেছিলেন, দুটিতেই নেমেছিলেন বদলি খেলোয়াড় হিসেবে। এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগের সেই দুই ম্যাচে আল হিলালের প্রতিপক্ষ ছিল আল আইন ও এসতেগলাল এফসি। দুটি ম্যাচে নেইমার কোনো গোল করতে পারেননি। এমনকি সতীর্থদের দিয়ে গোল করাতেও পারেননি তিনি। সেই দুই ম্যাচে আল হিলাল জিতেছে। যেখানে আল আইনকে ৫-৪ গোলে হারিয়েছিল নেইমারের দল। এসতেগলালের বিপক্ষে আল হিলাল পেয়েছিল ৩-০ গোলের জয়। সদ্য শেষ হওয়া বছরে নেইমার দিয়েছেন ৪৫ টাচ। ফুট মেরকাটের হিসাব অনুযায়ী প্রতি বার বল পায়ে লাগানোর জন্য তিনি আয় করেছেন ১৪ কোটি ৮ লাখ টাকা।
২০২৩ সালের আগস্টে পিএসজি থেকে আল হিলালে পাড়ি জমান নেইমার। সৌদি আরবের ক্লাবে ১৭ মাস কাটিয়ে দিলেও সব মিলে খেলতে পেরেছেন কেবল ৭ ম্যাচ। এদিকে শোনা যাচ্ছে, নেইমারের সঙ্গে চুক্তি আর নবায়ন করতে চাচ্ছে না আল হিলাল। চুক্তি নবায়ন না করলে তাঁর পরবর্তী গন্তব্য এখনো স্পষ্ট নয়।
পুরোনো সতীর্থ লিওনেল মেসি–সুয়ারেজদের সঙ্গে ইন্টার মায়ামিতে খেলার গুঞ্জন উঠেছিল ঠিকই। তবে ইন্টার মায়ামির কোচ জেরার্দো তাতা মার্তিনো সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
২২ মিনিট আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
১ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে