
২০২২ সালে পেশাদার টেনিসকে বিদায় জানিয়েছেন রজার ফেদেরার। ২৫ বছরের ক্যারিয়ারে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন ২০ বারের গ্র্যান্ডস্লাম জয়ী এই টেনিস তারকা। এতদিন তাঁর সঙ্গে একটি রেকর্ড যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন নোভাক জোকোভিচ। আজ জোকোভিচ রেকর্ডটা পুরোপুরি নিজের করে নিয়েছেন।
ইউএস ওপেনের শেষ ষোলোতে আজ সকালে জোকোভিচের প্রতিপক্ষ ছিলেন জার্মানির ইয়ান-লেনার্ড স্ট্রুফ। এই ম্যাচে দাপটের সঙ্গে জিতে ২০২৫ ইউএস ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেছেন জোকোভিচ। তাতেই মূলত ছাড়িয়ে গেছেন সুইস কিংবদন্তি ফেদেরারকে। ৯ বারের মতো বছরে চারটি গ্র্যান্ড স্লামের প্রত্যেকটায় কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে রেকর্ডটা নিজের করে নিলেন জোকোভিচ। এ বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, উইম্বলডন, ফ্রেঞ্চ ওপেন, ইউএস ওপেন—এই চারটি গ্র্যান্ড স্লামের প্রত্যেকটিরই কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছেন সার্বিয়ান টেনিস তারকা। এর আগে আটবার এই কীর্তি গড়েছিলেন ফেদেরার।
স্ট্রুফের বিপক্ষে আজ ইউএস ওপেনের শেষ ষোলোতে ৬-৩, ৬-৩, ৬-২ গেমে জিতেছেন জোকোভিচ। ১০৯ মিনিটের লড়াইয়ে স্ট্রুফের সার্ভ ছয়বার ব্রেক করেছেন জোকোভিচ। কতটা দাপটের সঙ্গে জোকোভিচ জিতেছেন, তা পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে। ৩৮ বছর বয়সী সার্বিয়ান টেনিস তারকা বলেন, ‘আর কতবার সুযোগ পাব, সেটা বলতে পারছি না। প্রত্যেকটা ম্যাচই আমার কাছে বিশেষ। আপনাদেরকে ধন্যবাদ।’
ইউএস ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে একাধিক রেকর্ড ভেঙেছেন জোকোভিচ। এক মৌসুমে চারটি গ্র্যান্ড স্লামের প্রত্যেকটারই শেষ আটে ওঠা সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় এখন তিনি। এ বছরের ২২ মে ৩৮ পেরোনো জোকোভিচ কতটা ছন্দে আছেন, তাতো বোঝাই যাচ্ছে। ২০২৫ ইউএস ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালের শেষ আটে তাঁর প্রতিপক্ষ টেলর ফ্রিটজ। আগামীকাল হবে জোকোভিচ-ফ্রিটজ কোয়ার্টার ফাইনাল।
২০২৩ সালে ইউএস ওপেন জয়ের পর আর কোনো গ্র্যান্ড স্লাম জিততে পারেননি নোভাক জোকোভিচ। গত দুই বছরে নকআউট রাউন্ডে আটকে গেছেন অনেকবার। এবার সেই ডেডলক ভাঙতে পারেন কি না, সেটা সময়ই বলে দেবে। ২৪ বারের গ্র্যান্ড স্লাম জয়ী জোকোভিচ সবচেয়ে বেশি ১০ বার জিতেছেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের শিরোপা। উইম্বলডন জিতেছেন সাতবার। চার ও তিনবার জিতেছেন ইউএস ওপেন ও ফ্রেঞ্চ ওপেনের শিরোপা।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
২ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৩ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৪ ঘণ্টা আগে