
বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে অভিষেক নাথান ম্যাকসুইনির। কিন্তু অভিষেক সেভাবে রাঙাতে পারলেন কই! সিরিজে মাত্র ৩ টেস্ট খেলেই বাদ পড়লেন এই ওপেনার। তাঁর পরিবর্তে মেলবোর্নে বক্সিং ডে টেস্ট ডাক পেয়েছেন স্যাম কনস্টাস।
গত অক্টোবরে ১৯ বছর বয়সে পারা এই কনস্টাসের সামনেই এখন অস্ট্রেলিয়ার ৯৫ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভাঙার সুযোগ। তার জন্য রান করতে হবে এমন নয়। এই ওপেনার ব্যাট হাতে মাঠে নামলেই গড়ে ফেলবেন রেকর্ড। কী সেই কীর্তি?
মেলবোর্ন টেস্টে যদি কনস্টাস খেলেন তবে তিনিই হবেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে কমবয়সী টেস্ট ওপেনার। ভাঙবেন ১৯২৯ সালে করা আর্চি জ্যাকসনের রেকর্ড। সে বছর অ্যাডিলেডে ১৯ বছর ১৪৯ দিনে অভিষেক হয় সাবেক এই ওপেনার। অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে কমবয়সী ওপেনার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন প্রয়াত ফিল হিউজ। ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তাঁর অভিষেক হয় ২০ বছর বয়সে।
২৬ ডিসেম্বর মেলবোর্নে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ টেস্ট খেলতে নামবে অস্ট্রেলিয়া। এদিন কনস্টাসের বয়স হবে ১৯ বছর ৮৫ দিন। এদিন যদি তাঁর অভিষেক হয় তবে অস্ট্রেলিয়ার টেস্টে কমবয়সী চতুর্থ ক্রিকেটার হবেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টেস্টে সবচেয়ে কম বয়সে অভিষিক্ত ক্রিকেটারের তালিকায় সবার ওপরে আছেন ইয়ান ক্রেইগ। ১৭ বছর ২৩৯ দিন বয়সে ১৯৫৩ সালে মেলবোর্নে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অভিষেক হয়েছিল তাঁর।
এরপর পরে আছেন প্যাট কামিন্স (১৮ বছর ১৯৩ দিন)। অজি পেসারেরও টেস্ট অভিষেক হয়েছিল প্রোটিয়াদের বিপক্ষে। ২০১১ সালে জোহানেসবার্গে। তাঁর পরে টম গ্যারেট (১৮ বছর ২৩২ দিন), ১৮৭৭ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মেলবোর্নে। পরের স্থানে ক্লেম হিল (১৯ বছর ৯৬ দিন), ১৮৯৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৪ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে