
নেপালকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। গতকাল মালদ্বীপের মালে স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালে ১-০ ব্যবধানে মাঠ ছাড়ে জয় নিয়ে বাংলাদেশের যুবারা। মোহাম্মদ মানিকের দুর্দান্ত এক হেডে জয়সূচক গোলের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ।
ম্যাচসেরা হয়ে মানিকের মনে পড়েছে তাঁর মাকে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমরা ফাইনালে যেতে পেরেছি, এটা অনেকটা খুশির সংবাদ। এই ম্যাচটা ছিল আমার মায়ের জন্য। আমার মা অসুস্থ তো, আর তাঁকে আমি এটা উপহার দিচ্ছি। দোয়া করবেন আমরা ফাইনালে যেন আরও ভালো কিছু...যেন ট্রফি নিয়ে দেশে যেতে পারি।’
সেমিফাইনালে আরেকটি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও ভুটান। এই ম্যাচের জয়ী দলের বিপক্ষে ৪ এপ্রিল ফাইনাল খেলবে বাংলাদেশ। শিরোপা জিতে মানিক হাসি ফোটাতে চান তাঁর অসুস্থ মায়ের মুখে।
আজ দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে নেপাল কিছুটা চাপ তৈরির চেষ্টা করলেও বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ছিল অটল। এ প্রসঙ্গে সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশু বলেন, ‘দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ১০-১৫ মিনিট ওরা আমাদের ওপর চাপ তৈরির চেষ্টা করেছিল। তখন আমাদের ডিফেন্ডার ও মিডফিল্ডাররা নিচে নেমে (লো ব্লক) খেলেছে। ছেলেরা দারুণ মানসিক শক্তি দেখিয়েছে এবং শেষ মিনিট পর্যন্ত লড়াই করে জয় ছিনিয়ে এনেছে।’

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ভালো খেলেও ২-১ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। এই হারের ছাপ পড়েছে র্যাঙ্কিংয়ে। এক ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১৮১তম।
১ ঘণ্টা আগে

গোল হজম করে থাইল্যান্ড যখন কিছুটা দিগ্ভ্রান্ত, বাংলাদেশ তখন সেই সুযোগে নিজেদের গুছিয়ে নিতে মনোযোগ দেয়। প্রতিপক্ষের আক্রমণের তীব্রতা কমে আসায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সহজ হয় লাল-সবুজদের জন্য। বিরতির ঠিক আগে সাগরিকার উদ্দেশ্যে আবারও একটি লং পাস বাড়িয়েছিলেন সতীর্থরা।
৪ ঘণ্টা আগে
শেষ দিকে নেপাল গোলের জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালালেও বাংলাদেশের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। ৯০ মিনিটে দূরপাল্লার এক শট মাটিতে পড়ে গিয়ে ঠেকান মোহাম্মদ ইউসুফ। বাংলাদেশেরও ব্যবধান দ্বিগুণের সুযোগ আসে। যোগ করা সময়ে বদলি নামা ডেক্লান সুলিভানের পাসে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন সুমন সোরেণ ও তাঁর ভাই রোনান সুলিভান। শ
৬ ঘণ্টা আগে