
ইতিহাসে নাম লেখিয়ে ফেললেন মোসাম্মৎ সাগরিকা। সিনিয়র এশিয়ান কাপে কোনো গোলের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপেও প্রথমবার খেলতে নেমেছেন বাংলাদেশের মেয়েরা। আর প্রথম ম্যাচেই গোল এনে দিলেন সাগরিকা। তাঁর গোলে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ১–০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করল বাংলাদেশ।
থাইল্যান্ডের থাম্মাসাত স্টেডিয়ামে রেফারির বাঁশি বাজার পর থেকেই বাংলাদেশের ওপর আধিপত্য দেখাতে থাকে থাইল্যান্ড। ঘরের মাঠ বলে কথা। ধারার বিপরীতে গিয়ে বাংলাদেশও কিছু আক্রমণের ঝলক দেখায়। স্বপ্না রানীর একটি শট থাই গোলরক্ষক আতিমা বুনপ্রাকানপাই ঠেকিয়ে দেন সহজে। কিন্তু সাগরিকাকে পারেননি।
আনন্দের সেই উপলক্ষ আসে ৩৬ মিনিটে। থাইল্যান্ডের ওপরে থাকা রক্ষণকে ভেদ করে মাঝমাঠ থেকে সাগরিকার উদ্দেশে চুলচেরা পাস বাড়ান মৌমিতা খাতুন। সেই পাস ধরে থাই গোলরক্ষককে সহজে পরাস্ত করেন সাগরিকা।
গোল হজম করে থাইল্যান্ড যখন কিছুটা দিগ্ভ্রান্ত, বাংলাদেশ তখন সেই সুযোগে নিজেদের গুছিয়ে নিতে মনোযোগ দেয়। প্রতিপক্ষের আক্রমণের তীব্রতা কমে আসায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সহজ হয় লাল-সবুজদের জন্য। বিরতির ঠিক আগে সাগরিকার উদ্দেশ্যে আবারও একটি লং পাস বাড়িয়েছিলেন সতীর্থরা। তবে এবার আর থাই রক্ষণকে ফাঁকি দিতে পারেননি এই ফরোয়ার্ড; কড়া পাহারায় আটকে যায় বাংলাদেশের সেই আক্রমণ।
তাই বিরতিতে বাংলাদেশ যায় এক গোলের লিড নিয়েই।


শেষ দিকে নেপাল গোলের জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালালেও বাংলাদেশের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। ৯০ মিনিটে দূরপাল্লার এক শট মাটিতে পড়ে গিয়ে ঠেকান মোহাম্মদ ইউসুফ। বাংলাদেশেরও ব্যবধান দ্বিগুণের সুযোগ আসে। যোগ করা সময়ে বদলি নামা ডেক্লান সুলিভানের পাসে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন সুমন সোরেণ ও তাঁর ভাই রোনান সুলিভান। শ
৩ ঘণ্টা আগে
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এই এক গোলের লিড দ্বিতীয়ার্ধে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।
৪ ঘণ্টা আগে
বিগ ব্যাশে নিজের অভিষেক মৌসুমটা রিশাদ হোসেনের হয়েছে মনে রাখার মতোই। লেগস্পিন ঘূর্ণিতে ব্যাটারদের বোকা বানিয়েছেন বারবার। বাংলাদেশের তরুণ লেগস্পিনার পেয়ে গেলেন বর্ষসেরা পুরস্কার।
৪ ঘণ্টা আগে