নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘সিপিডির তথ্য গবেষণা নয়, পত্রিকার কাটিংনির্ভর এবং তা অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
আজ সোমবার বিটিভি চট্টগ্রামে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন হাছান মাহমুদ।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সিপিডি কোনো গবেষণা করেনি। পত্রিকার কাটিং দেখে রিপোর্ট তৈরি করেছে। এ ক্ষেত্রে সিপিডি অনেক বিষয়ে লুকোচুরি করেছে। অনেক অসত্য তথ্য উপস্থাপন করেছে। যেমন সিপিডি বলেছে, আমাদের উন্নয়ন বাজেট, বাজেটের ৭৫ শতাংশ হচ্ছে বিদেশনির্ভর। আসলে আমাদের উন্নয়ন বাজেট চলতি বাজেটের ৩৫ শতাংশ হচ্ছে সাহায্য বা বিদেশনির্ভর। এটি আগে আরও কম ছিল। একসময় এটি ২০ শতাংশের নিচে নেমে গিয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ঋণ নেওয়ায় এটা ৩৫ শতাংশ হয়েছে। অথচ সিপিডি বলেছে ৭৫ শতাংশ। সিপিডির এই বক্তব্য নির্জলা নির্ভেজাল মিথ্যাচার।’
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বেসিক ব্যাংক থেকে চার হাজার কোটি লোন নেওয়া হয়েছে এর মধ্যে দুই হাজার আদায় করা হয়েছে। আরও দুই হাজার কোটি টাকা আদায়ে মামলা করা হয়েছে। অর্থাৎ আদায়ের প্রক্রিয়া চলছে।
নাবিল গ্রুপের ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকার লোন প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘এগুলোর সব যে আদায় হয়েছে তা সিপিডির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়নি। ইচ্ছা করেই লুকানো হয়েছে।’
এস আলম গ্রুপের লোন প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে খোঁজ নিয়ে জেনেছেন এস আলমের কোনো লোনই ক্লাসিফায়েড না।
ব্যাংকের ক্লাসিফায়েড লোনের আকার বৃদ্ধি সম্পর্কে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সিপিডি আকারের কথা বলে অথচ পারসেন্টেজের কথা বলে না। আমাদের অর্থনীতির আকার ছয় গুণের বেশি বেড়েছে। ২০০৯ সালে জিডিপির আকার ছিল ৮০ বিলিয়ন ডলার, আর এখন জিডিপির আকার হচ্ছে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। অর্থনীতির আকার বৃদ্ধি পেলে লোনও বৃদ্ধি পাবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এটা দেখতে হবে শতাংশের দৃষ্টিকোণ থেকে।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে ব্যাড লোন ছিল ১০ দশমিক ৫ শতাংশ, আর এখন তা কমে ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যেটা সিপিডির অনেক কর্মকর্তা ভালোভাবেই জানেন। কারণ, তাঁদের কেউ কেউ তখন দেশ পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিল। এরপরও সংবাদ সম্মেলন করে এসব অসত্য তথ্য পরিবেশন নির্লজ্জ মিথ্যাচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
বিএনপির তিন দিনের গণসংযোগ কর্মসূচিকে গতানুগতিক হিসেবে আখ্যায়িত করে হাছান মাহমুদ বলেন, এগুলোর খবর কেউ রাখে না। কাক-পক্ষীও টের পায় না। এগুলো হাস্যকর। শুধু সাংবাদিকেরা কাজ হিসেবে এসব কর্মসূচির খবর রাখেন।
বিটিভির ৬০ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে কলাকুশলী, কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ দেশের টেলিভিশনের বিস্তার ও প্রসারে বিটিভি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এ সময় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আরও বলেন, কাকতালীয় হলেও বিটিভি চট্টগ্রামও একই সময় অর্থাৎ বিজয়ের মাসে যাত্রা শুরু করে। ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করা বিটিভি চট্টগ্রাম ২৭ বছরে পূর্ণাঙ্গ জাতীয় টেলিভিশন চ্যানেলে রূপ নিয়েছে।
এর আগে তথ্যমন্ত্রী বিটিভি চট্টগ্রামে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
এ সময় জেনারেল ম্যানেজার নূর আনোয়ার হোসেন রনজুসহ বিটিভি চট্টগ্রামের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘সিপিডির তথ্য গবেষণা নয়, পত্রিকার কাটিংনির্ভর এবং তা অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
আজ সোমবার বিটিভি চট্টগ্রামে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন হাছান মাহমুদ।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সিপিডি কোনো গবেষণা করেনি। পত্রিকার কাটিং দেখে রিপোর্ট তৈরি করেছে। এ ক্ষেত্রে সিপিডি অনেক বিষয়ে লুকোচুরি করেছে। অনেক অসত্য তথ্য উপস্থাপন করেছে। যেমন সিপিডি বলেছে, আমাদের উন্নয়ন বাজেট, বাজেটের ৭৫ শতাংশ হচ্ছে বিদেশনির্ভর। আসলে আমাদের উন্নয়ন বাজেট চলতি বাজেটের ৩৫ শতাংশ হচ্ছে সাহায্য বা বিদেশনির্ভর। এটি আগে আরও কম ছিল। একসময় এটি ২০ শতাংশের নিচে নেমে গিয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ঋণ নেওয়ায় এটা ৩৫ শতাংশ হয়েছে। অথচ সিপিডি বলেছে ৭৫ শতাংশ। সিপিডির এই বক্তব্য নির্জলা নির্ভেজাল মিথ্যাচার।’
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বেসিক ব্যাংক থেকে চার হাজার কোটি লোন নেওয়া হয়েছে এর মধ্যে দুই হাজার আদায় করা হয়েছে। আরও দুই হাজার কোটি টাকা আদায়ে মামলা করা হয়েছে। অর্থাৎ আদায়ের প্রক্রিয়া চলছে।
নাবিল গ্রুপের ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকার লোন প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘এগুলোর সব যে আদায় হয়েছে তা সিপিডির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়নি। ইচ্ছা করেই লুকানো হয়েছে।’
এস আলম গ্রুপের লোন প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে খোঁজ নিয়ে জেনেছেন এস আলমের কোনো লোনই ক্লাসিফায়েড না।
ব্যাংকের ক্লাসিফায়েড লোনের আকার বৃদ্ধি সম্পর্কে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সিপিডি আকারের কথা বলে অথচ পারসেন্টেজের কথা বলে না। আমাদের অর্থনীতির আকার ছয় গুণের বেশি বেড়েছে। ২০০৯ সালে জিডিপির আকার ছিল ৮০ বিলিয়ন ডলার, আর এখন জিডিপির আকার হচ্ছে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। অর্থনীতির আকার বৃদ্ধি পেলে লোনও বৃদ্ধি পাবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এটা দেখতে হবে শতাংশের দৃষ্টিকোণ থেকে।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে ব্যাড লোন ছিল ১০ দশমিক ৫ শতাংশ, আর এখন তা কমে ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যেটা সিপিডির অনেক কর্মকর্তা ভালোভাবেই জানেন। কারণ, তাঁদের কেউ কেউ তখন দেশ পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিল। এরপরও সংবাদ সম্মেলন করে এসব অসত্য তথ্য পরিবেশন নির্লজ্জ মিথ্যাচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
বিএনপির তিন দিনের গণসংযোগ কর্মসূচিকে গতানুগতিক হিসেবে আখ্যায়িত করে হাছান মাহমুদ বলেন, এগুলোর খবর কেউ রাখে না। কাক-পক্ষীও টের পায় না। এগুলো হাস্যকর। শুধু সাংবাদিকেরা কাজ হিসেবে এসব কর্মসূচির খবর রাখেন।
বিটিভির ৬০ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে কলাকুশলী, কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ দেশের টেলিভিশনের বিস্তার ও প্রসারে বিটিভি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এ সময় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আরও বলেন, কাকতালীয় হলেও বিটিভি চট্টগ্রামও একই সময় অর্থাৎ বিজয়ের মাসে যাত্রা শুরু করে। ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করা বিটিভি চট্টগ্রাম ২৭ বছরে পূর্ণাঙ্গ জাতীয় টেলিভিশন চ্যানেলে রূপ নিয়েছে।
এর আগে তথ্যমন্ত্রী বিটিভি চট্টগ্রামে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
এ সময় জেনারেল ম্যানেজার নূর আনোয়ার হোসেন রনজুসহ বিটিভি চট্টগ্রামের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে গিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর শোক-সন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে সেখানে যান তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদায় বেলায়’ শিরোনামের এই কবিতা দিয়ে ফেসবুকে দাদি বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করলেন জাইমা রহমান। কবিতার সঙ্গে তিনি একটি ছবিও শেয়ার করেছেন। এতে দেখা যায়, দাদির সঙ্গে মুখোমুখি বসে আছেন জাইমা।
৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির সমঝোতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগের দিন যে ৩০ জন নেতা এই সমঝোতা না করতে দলের আহ্বায়ককে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে প্রথম নামটি ছিল মুশফিকের। মুশফিক উস সালেহীনের পদত্যাগের মাধ্যমে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতাকে কেন্দ্র করে অন্তত ১০ জন কেন্দ্রীয় নেতা এনসিপি ছাড়লেন।
৩ ঘণ্টা আগে
আলোচিত মডেল মেঘনা আলমের কোনো নেই কোনো গয়না, গাড়ি বা আসবাবপত্র। পেশায় রাজনৈতিক প্রশিক্ষক হলেও আয় করেন ব্যবসা থেকে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রে এমনই তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে