জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

‘তারা নির্বাচনে আসে না। আসলেও আবার খেলার মাঠে হেরে বলবে মাঠ ভালা নায়, রেফারি ভালা নায়, গোলপোস্ট নিছা। হেরে গিয়ে এই সব বললে কোনো কাজ হবে না।’ -বিএনপিকে ইঙ্গিত করে এসব কথা বলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান।
আজ শনিবার সকাল ১০টায় সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী।
এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজেদুল ইসলাম।
মন্ত্রী গ্রামের সাধারণ মানুষদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, ‘সামনে আবার নির্বাচন আসছে। আপনাদের হাতে ক্ষমতা রয়েছে। যারে ইচ্ছা ভোট দিবেন। কোনো ভয়ডর নাই। যেকোনো প্রতীকে ভোট দিন। ভয় নেই ভোট দিবেন। তবে, ন্যায় বিচার করবেন। কারা আপনাদের জন্য মায়া দেখায়। সুখ-দুঃখে পাশে থাকে। আপনারা তো বিভিন্ন সরকার দেখেছেন। যে সরকার আপনাদের সেবা করে। এ দেশের উন্নয়ন করে যাচ্ছে। এই সব জিনিসগুলো মনে রাখবেন। আপনাদের একটি ভোট যে সরকারকে দিবেন, সেই সরকার আগামী পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকবে। সুতরাং চিন্তা করে ভোট দিবেন। যে সরকারকে ভোট দিলে পাশে পাবেন সেই সরকারকে ভোট দিবেন।’
পরিকল্পনা মন্ত্রী আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে বলেন, শেখ হাসিনা সরকার হিন্দু-মুসলমান সব ধর্মের মানুষকে শ্রদ্ধা করে মায়া করে সমান। বর্তমান সরকার মসজিদ মন্দিরসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করছে। তিনি সবাইকে ধর্মীয় ভেদাভেদ ভুলে মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করার আহ্বান জানান।
পরে উপজেলার অসহায়, দুস্থ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৪ পরিবারের মাঝে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় হতে বরাদ্দ প্রাপ্ত ৫০ বান ঢেউটিন ও নগদ ৩ হাজার টাকা করে দেড় লাখ টাকা বিতরণ করেন।
এ ছাড়া পরিকল্পনা মন্ত্রী সকাল ১১টায় উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের লাইসিয়াম কিন্ডারগার্টেন স্কুলের ২০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। পরে দুপুর আড়াইটায় উপজেলা ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশনাল ট্রাস্ট এবং বিকেল ৪টায় মিরপুর ইউনিয়নের হলিয়ারপাড়া জামেয়া কাদেরিয়া সুন্নীয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

‘তারা নির্বাচনে আসে না। আসলেও আবার খেলার মাঠে হেরে বলবে মাঠ ভালা নায়, রেফারি ভালা নায়, গোলপোস্ট নিছা। হেরে গিয়ে এই সব বললে কোনো কাজ হবে না।’ -বিএনপিকে ইঙ্গিত করে এসব কথা বলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান।
আজ শনিবার সকাল ১০টায় সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী।
এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজেদুল ইসলাম।
মন্ত্রী গ্রামের সাধারণ মানুষদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, ‘সামনে আবার নির্বাচন আসছে। আপনাদের হাতে ক্ষমতা রয়েছে। যারে ইচ্ছা ভোট দিবেন। কোনো ভয়ডর নাই। যেকোনো প্রতীকে ভোট দিন। ভয় নেই ভোট দিবেন। তবে, ন্যায় বিচার করবেন। কারা আপনাদের জন্য মায়া দেখায়। সুখ-দুঃখে পাশে থাকে। আপনারা তো বিভিন্ন সরকার দেখেছেন। যে সরকার আপনাদের সেবা করে। এ দেশের উন্নয়ন করে যাচ্ছে। এই সব জিনিসগুলো মনে রাখবেন। আপনাদের একটি ভোট যে সরকারকে দিবেন, সেই সরকার আগামী পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকবে। সুতরাং চিন্তা করে ভোট দিবেন। যে সরকারকে ভোট দিলে পাশে পাবেন সেই সরকারকে ভোট দিবেন।’
পরিকল্পনা মন্ত্রী আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে বলেন, শেখ হাসিনা সরকার হিন্দু-মুসলমান সব ধর্মের মানুষকে শ্রদ্ধা করে মায়া করে সমান। বর্তমান সরকার মসজিদ মন্দিরসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করছে। তিনি সবাইকে ধর্মীয় ভেদাভেদ ভুলে মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করার আহ্বান জানান।
পরে উপজেলার অসহায়, দুস্থ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৪ পরিবারের মাঝে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় হতে বরাদ্দ প্রাপ্ত ৫০ বান ঢেউটিন ও নগদ ৩ হাজার টাকা করে দেড় লাখ টাকা বিতরণ করেন।
এ ছাড়া পরিকল্পনা মন্ত্রী সকাল ১১টায় উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের লাইসিয়াম কিন্ডারগার্টেন স্কুলের ২০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। পরে দুপুর আড়াইটায় উপজেলা ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশনাল ট্রাস্ট এবং বিকেল ৪টায় মিরপুর ইউনিয়নের হলিয়ারপাড়া জামেয়া কাদেরিয়া সুন্নীয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৪ ঘণ্টা আগে