সব জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করলেন। বিধি অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাজ করছেন। স্পিকারের শপথ নেওয়ার সময়ই তিনি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শপথ নিয়েছিলেন। কোনো কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব স্পিকারই পালন করবেন। আর সে সময় স্পিকারের পদ শূন্য হলে ডেপুটি স্পিকার পালন করবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব।
মো. সাহাবুদ্দিন তিনটি সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। নানা রকম ঝড়ঝঞ্ঝা মোকাবিলা করে তাঁকে এই পদে টিকে থাকতে হয়েছে। বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তাঁর পদটাকে অবজ্ঞা করার মতো ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে সেই সরকার সমালোচিতও হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার বা বিএনপি সরকারের আমলে তিনি সরকারের কথামতোই চলেছেন। সরকারের বিরোধিতা করে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি পদে টিকে থাকা সম্ভব নয় বলেই প্রতীয়মান হয়। যে দল ক্ষমতায় আসে, সে দলই চায় রাষ্ট্রপতি তাদের আজ্ঞাবহ হোক। অন্তত সরকারি কোনো সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তিনি যেন বাদ না সাধেন, তার নিশ্চয়তা চায় সরকার। রয়টার্সের সঙ্গে শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার, ডিসেম্বরে তাঁর দেশে ফিরে আসার ঘোষণার সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা আছে। আওয়ামী লীগ মনোনীত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ব্যাপারে বর্তমান সরকারি মহলে কোনো ধরনের সন্দেহের সৃষ্টি হলো কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে মনে রাখা দরকার, রাষ্ট্রপতি শুধু একজন ব্যক্তি নন, একটি প্রতিষ্ঠানও বটে। সেই প্রতিষ্ঠানকে সব সময় যথাযথ সম্মান করা হয়েছে, এমন কথা বলা যাবে না।
রাজনীতি-অর্থনীতি-আইনব্যবস্থা ইত্যাদির দিকে চোখ রাখলে এ কথা বলতেই হবে, দেশ আজ ভয়ানক অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হয়েছে। পক্ষপাতহীন গণতন্ত্রচর্চাই কেবল ধীরে ধীরে এই সংকট কাটিয়ে ওঠার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে। এ মুহূর্তে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নানা প্রশ্নের জন্ম দিলেও দেশের সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলাই এখন সবচেয়ে প্রয়োজনীয় বিষয় বলে মানতে হবে। ভয়, শঙ্কা বা ষড়যন্ত্রকে উচ্ছেদ করে সত্যিকার গণতন্ত্রের চর্চা করা না হলে এই বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে বিচক্ষণতার প্রয়োজন। বিশেষ করে জিডিপি, বাজারদর, গ্যাস-সংকট, কৃষক সমস্যা, বিনিয়োগ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা না গেলে জনমনে হতাশা বাড়বে। বাড়বে পুঞ্জীভূত ক্ষোভ। সংসদীয় গণতান্ত্রিক দেশে প্রধানমন্ত্রীর মর্জিতেই সরকার চলে। রাষ্ট্রপতি সেখানে আলংকারিক একটি পদ হলেও সেই পদটিকে হেলাফেলা করা চলে না।
৯০ দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে একজন রাষ্ট্রপতি পাবে এই দেশ। মব সংস্কৃতির ধারক-বাহকেরা যেন নতুন রাষ্ট্রপতিকেও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য না করতে পারে, সেদিকেও দৃষ্টি রাখতে হবে। রাষ্ট্রপতির প্রসঙ্গ ধরেই বলতে হয়, রাজনীতিতে পারস্পরিক সম্মান ও প্রীতির সম্পর্ক ফিরে আসা খুব দরকার। মব ও গালাগাল থেকে মুক্ত হওয়া এখন সময়ের দাবি।

অস্বস্তিটা আসলে সন্তান বা সন্তানদের ছেলেমেয়েদের নিয়ে। ওরা যদি এখন জানতে চায়, বহুল ব্যবহৃত এমন কোনো শব্দের অর্থ, তাহলে অভিভাবকেরা বিপদে পড়ে যেতে পারেন। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরে বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানের বাড়ির সামনে বসে এক তরুণী যেভাবে ‘শ’ দিয়ে শুরু—এ রকম জননেন্দ্রিয়কেন্দ্রিক একটি গাল
১ দিন আগে
কয়েক দিন আগে কড়াইল বস্তিতে কাজের সুবাদে যেতে হয়েছিল। এলাকার সমস্যা কী, প্রশ্ন করতেই ওখানকার নারী বাসিন্দারা জানালেন, প্রতিদিন মাইকিং হয় বাচ্চা হারানোর সংবাদ প্রচারে। প্রচুর বাচ্চা নিখোঁজ হচ্ছে। আগে এমন ছিল না, ইদানীং বেড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কে থাকেন তাঁদের সন্তানদের নিয়ে।
১ দিন আগে
গাধার মতো পরিশ্রম করেও কোনো লাভ হলো না তাঁদের। এত কষ্ট করে ঘোড়া জবাই দিয়ে এর মাংস রাজধানীর বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় পৌঁছে দিতে চেয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু বিধি বাম! পুলিশের তর সইল না। বিতরণের আগেই তাঁদের আটক করে ফেলা হলো। আর ঢাকার ভোজনরসিকেরাও ঘোড়ার মাংস চেখে দেখা থেকে বঞ্চিত হলেন। কী একটা অবস্থা!
১ দিন আগে
বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক পৃথিবীর অর্থনীতি ও জ্ঞানভিত্তিক সামাজিক কাঠামোর দ্রুতগামী ট্রেন অনেকটাই পরিচালিত হচ্ছে সর্বাধুনিক গবেষণা, উদ্ভাবন, বায়োমেডিকেল, জিনোমিক্স কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো প্রযুক্তিনির্ভর বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে। পৃথিবীর প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আজ কেবল ডিগ্রি...
২ দিন আগে