
পদ্মা-মেঘনা-যমুনার পলিবিধৌত বাংলায় ১৯৭১ সালে যে রক্তক্ষয়ী ইতিহাস রচিত হয়েছিল, তা আজ সাড়ে পাঁচ দশক পর সিন্ধু নদের অববাহিকায় এক ভৌতিক প্রতিধ্বনি তুলছে। ইতিহাস নাকি নিজেকে পুনরাবৃত্তি করে—একবার ট্র্যাজেডি হিসেবে, আরেকবার প্রহসন হিসেবে। বর্তমান পাকিস্তানের দিকে তাকালে কার্ল মার্ক্সের এই বিখ্যাত উক্তিটি যেন এক নির্মম বাস্তবতা হিসেবে রূপ নিয়েছে, যেখানে রাষ্ট্রটি তার নিজের অতীতের ভুলগুলোকেই নতুন মোড়কে আলিঙ্গন করছে।
আজকের ইসলামাবাদ বা লাহোরের রাজনৈতিক অলিগলিতে যে অস্থিরতার বাতাস বইছে, তা ১৯৭১ সালের তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দমবন্ধ পরিস্থিতির কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। ক্ষমতার মসনদ টিকিয়ে রাখতে শাসকগোষ্ঠীর সেই চেনা দমন-পীড়ন এবং ভিন্নমত দমনের অন্ধ উগ্রতা যেন আবার ফিরে এসেছে। অতীতের মতোই বুলেটের জোরে ব্যালটের রায়কে খণ্ডন করার এক আত্মঘাতী খেলায় মেতে উঠেছেন দেশটির নীতিনির্ধারকেরা।
পাকিস্তানের জন্মলগ্ন থেকেই ক্ষমতার আসল কলকাঠি নাড়িয়ে আসছে রাওয়ালপিন্ডির সেনা সদর দপ্তর, যা ‘এস্টাবলিশমেন্ট’ নামে পরিচিত। ১৯৭১ সালে জেনারেল ইয়াহিয়া খানের সামরিক চক্র যেভাবে পর্দার আড়াল থেকে দেশ শাসন করেছিল, আজও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। নির্বাচিত পুতুল সরকারকে সামনে রেখে পেছন থেকে সুতো নাড়ানোর এই পুরোনো নাটকের মঞ্চায়ন আজ বুমেরাং হতে চলেছে।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নেতৃত্বের তীব্র সংঘাত এবং ক্ষমতার লোভ দেশটিকে এক গভীর অন্ধকূপের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কারাবাস, রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিরোধী কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করে দেওয়ার মতো ঘটনাগুলো এ বার্তাই দেয়। এই দৃশ্যপট ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা ভেস্তে দিয়ে সামরিক শক্তি প্রয়োগের সেই ট্র্যাজিক অধ্যায়ের সমান্তরাল।
গণতন্ত্র শব্দটি পাকিস্তানে সব সময়ই এক মরীচিকা হয়ে রয়েছে, যা কাগজ-কলমে থাকলেও বাস্তবে তার অস্তিত্ব মেলা ভার। বর্তমান শাসনব্যবস্থায় জনগণের ভোটাধিকার এবং গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে যেভাবে বুড়ো আঙুল দেখানো হচ্ছে, তা কোনো সুস্থ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের লক্ষণ নয়। যখন কোনো রাষ্ট্রে আইনি উপায়ে ক্ষমতা পরিবর্তনের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়, তখন সেখানে ১৯৭১ সালের মতোই বিস্ফোরণ অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে।
আঞ্চলিক বৈষম্য এবং প্রাদেশিক অসন্তোষ পাকিস্তানের শরীরে এক স্থায়ী ক্ষত, যা ১৯৭১ সালে একটি অঙ্গহানির পরও নিরাময় হয়নি। বর্তমান বেলুচিস্তান এবং খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের দিকে তাকালে সেই পুরোনো ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ দেখা যায়। পাঞ্জাবকেন্দ্রিক শাসকগোষ্ঠীর আধিপত্যবাদ বাকি প্রদেশগুলোকে আজ এতটাই প্রান্তিক করে তুলেছে যে বিচ্ছিন্নতাবাদের আগুন সেখানে দাউ দাউ করে জ্বলছে।
বেলুচিস্তান খনিজ সম্পদসমৃদ্ধ এলাকা হলেও সেখানকার মানুষ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত, শোষণ ও বৈষম্যের শিকার। অথচ ঠিক যেভাবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের পাট ও সম্পদ বিক্রি করে করাচি-ইসলামাবাদ গড়ে তোলা হয়েছিল, আজ বেলুচদের সঙ্গে অবিকল সেই আচরণই করা হচ্ছে। ফলে বেলুচ লিবারেশন আর্মিসহ (বিএলএ) বিভিন্ন গোষ্ঠীর সশস্ত্র প্রতিরোধ দিন দিন আরও তীব্র রূপ নিচ্ছে।
এই অসন্তোষ দমনে রাওয়ালপিন্ডি আবারও সেই ১৯৭১ স্টাইলের সামরিক অভিযানের ওপর ভরসা করেছে, যা কেবল মানুষের মধ্যে দূরত্বই বাড়াচ্ছে। গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের এক ভয়ানক সংস্কৃতি গ্রাস করেছে এই দুই প্রদেশকে। মায়ের কোল খালি হওয়া এবং তরুণদের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনাগুলো একাত্তরের ‘সার্চলাইট’ অপারেশনের সেই নারকীয় স্মৃতিকেই বারবার মনে করিয়ে দেয়।
মানবাধিকার হরণ এবং বিচারহীনতার এই রাজত্ব আন্তর্জাতিক মহলেও পাকিস্তানকে এক চরম কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। গুম হওয়া স্বজনদের নিয়ে গঠিত ‘বেলুচ ইয়াকজেহতি কমিটি’র শান্তিপূর্ণ লংমার্চ ও আন্দোলনে যেভাবে রাষ্ট্রীয় বাহিনী দিয়ে লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়, তা জনগণের ভেতরের ক্ষোভকে গণবিস্ফোরণের বারুদে রূপান্তরিত করছে। রাষ্ট্র যখন নিজের নাগরিকদের শত্রু ভাবে, তখন তার আয়ুষ্কাল ফুরিয়ে আসে।
পাকিস্তানের জনগণের এই পুঞ্জীভূত ক্ষোভ কেবল রাজনৈতিক কারণে নয়, এর পেছনে রয়েছে এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়। সাধারণ মানুষের পিঠ আজ দেয়ালে ঠেকে গেছে, যেখানে দুমুঠো অন্নের সংস্থান করাই এখন অলীক কল্পনা। যে রাষ্ট্র নিজের জনগণকে ন্যূনতম অর্থনৈতিক নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়, তখন বুঝতে হবে রাষ্ট্র ব্যর্থ।
পাকিস্তানের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা এক নিদারুণ দেউলিয়াত্বের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে, যা কোনো যুদ্ধের চেয়ে কম ধ্বংসাত্মক নয়। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায়ই বিপজ্জনক স্তরে নেমে যাচ্ছে, যা দিয়ে কয়েক সপ্তাহের আমদানি ব্যয় মেটানোও কঠিন হয়ে পড়বে। এই অর্থনৈতিক পঙ্গুত্ব রাষ্ট্রটিকে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল বা আইএমএফের শর্তযুক্ত ঋণের দাসের শিকলে বেঁধে ফেলেছে।
ঋণের বোঝা আজ পাকিস্তানের জিডিপির প্রায় ৭০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে, যা পরিশোধ করতে গিয়ে দেশের সিংহভাগ রাজস্ব শেষ হয়ে যাচ্ছে। একাত্তরে যুদ্ধের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করে যে দেউলিয়া অবস্থা হয়েছিল, আজ যুদ্ধ ছাড়াই ঋণের সুদের কিস্তি শোধ করতে গিয়ে দেশ একই গর্তে পড়েছে। নতুন ঋণ নিয়ে পুরোনো ঋণ শোধ করার এই চক্র দেশকে এক মৃত্যুর ফাঁদে ফেলেছে।
মুদ্রাস্ফীতির হার পাকিস্তানের ইতিহাসে সব রেকর্ড ভেঙে মাঝে মাঝেই ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ স্পর্শ করছে, যা লঙ্কাকাণ্ডের মতো আগুন লাগিয়েছে বাজারে। আটা, চিনি, বিদ্যুৎ আর জ্বালানির দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় মধ্যবিত্ত আজ নিমেষেই গরিব হয়ে যাচ্ছে। পেটের ক্ষুধা যখন চেতনার চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়ায়, তখন দেশপ্রেমের সস্তা বুলি আর কাজ করে না। অথচ এই চরম অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বা সামরিক ব্যয় প্রতিবছর জ্যামিতিক হারে বেড়েই চলেছে। যেখানে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দ থাকে নামমাত্র, সেখানে ২০২৪-২৫ অর্থবছরেও প্রতিরক্ষা বাজেট প্রায় ১৮ শতাংশ বাড়িয়ে ২.১২ ট্রিলিয়ন রুপি করা হয়েছে। জনগণের পেটে লাথি মেরে বিলাসবহুল সেনানিবাস টিকিয়ে রাখার এই উন্মাদনা ১৯৭১ সালেও ছিল।
এই অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে এক গভীর কূটনৈতিক একাকিত্বের দিকে ঠেলে দিয়েছে। একাত্তরে যেমন মার্কিন সপ্তম নৌবহর বা চীনের মৌখিক সমর্থন ঢাকাকে বাঁচাতে পারেনি, আজও শুধু বেইজিংয়ের সিপেক প্রকল্পের ঋণ দিয়ে পাকিস্তানের ভূরাজনৈতিক বৈরিতা ঢাকা সম্ভব না-ও হতে পারে।
এককালের ঘনিষ্ঠ মিত্র সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাতও এখন আর বিনা শর্তে পাকিস্তানকে বিলিয়ন ডলারের অনুদান দিতে রাজি নয়, যা ইসলামাবাদের জন্য এক বড় ধাক্কা। বৈদেশিক সম্পর্কের এই দেউলিয়াত্ব পাকিস্তানের সার্বভৌমত্বকে এতটাই দুর্বল করেছে যে, প্রতিবেশী দেশগুলোও এখন তাদের সমীহ করে না।
ভৌগোলিক ও কৌশলগত দিক থেকে পাকিস্তান আজ চারদিক থেকেই সীমান্ত সংকটে জর্জরিত। পূর্ব সীমান্তে চিরশত্রু ভারত, আর পশ্চিম সীমান্তে আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের সঙ্গে ডুরান্ড লাইন নিয়ে নিয়মিত চলছে সীমান্ত সংঘর্ষ। এমনকি ইরান সীমান্তও এখন আর নিরাপদ নয়, যা পাকিস্তানের সামরিক শক্তিকে বহুমাত্রিক চাপে ফেলেছে।
ভেতরের মেরুকরণ আজ এতটাই তীব্র যে পাকিস্তানি সমাজ স্পষ্টত কয়েকটি শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েছে, যেখানে জাতীয় ঐক্যের লেশমাত্র নেই। ইমরান খানের সমর্থক বনাম সামরিক এস্টাবলিশমেন্টের এই দ্বন্দ্বে বিচার বিভাগ থেকে শুরু করে সংবাদমাধ্যম—সবই আজ দ্বিখণ্ডিত। একটি রাষ্ট্র যখন ভেতর থেকে এভাবে ভেঙে পড়ে, তখন তাকে ধ্বংস করার জন্য বাইরের শত্রুর প্রয়োজন হয় না।
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না—এই প্রবাদটি পাকিস্তানের ক্ষেত্রে শতভাগ সত্য। ১৯৭১ সালে বাঙালির ওপর যে অন্যায় ও অবিচার করা হয়েছিল, তার জন্য আজ পর্যন্ত পাকিস্তান রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চায়নি। নিজের ঐতিহাসিক ভুলগুলোকে স্বীকার না করার এই দাম্ভিকতাই আজ তাদের আবার একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে উৎসাহিত করছে। একাত্তরের সেই অভিশাপ যেন আজও পাকিস্তানের পিছু ছাড়েনি, যা এক অলক্ষ্য নিয়তি হয়ে তাড়া করে ফিরছে দেশটির বর্তমানকে।
ভবিষ্যতের এক চরম অনিশ্চয়তা আজ তাড়া করে বেড়াচ্ছে পাকিস্তানের ২৪ কোটি সাধারণ জনগণকে, যারা এই নোংরা ক্ষমতার খেলার প্রধান শিকার। তরুণ প্রজন্ম আজ দলে দলে দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে। ফলে মেধা পাচারের এক করুণ চিত্র ফুটে উঠছে। যে দেশের যুবসমাজ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাহীন হয়ে পড়ে, সেই দেশের কাঠামোগত ভাঙন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।
তাহলে কি পাকিস্তান আসলেই আরেকটি ১৯৭১-এর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে? উত্তরটা হয়তো হুবহু কোনো ভৌগোলিক বিভাজন নয়, কারণ এখন পূর্ব পাকিস্তানের মতো হাজার মাইলের দূরত্বে কোনো বিচ্ছিন্ন ভূখণ্ড নেই। তবে বর্তমানের এই অর্থনৈতিক দেউলিয়াত্ব, গৃহযুদ্ধসদৃশ অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং পারমাণবিক শক্তির অহংকার দেশটিকে ভেতর থেকে ভেঙে পড়া বা ‘ভেতরের একাত্তরের’ দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
যদি রাওয়ালপিন্ডি এবং ইসলামাবাদের নীতিনির্ধারকেরা এখনই তাঁদের অহংকার ও দমননীতি পরিহার না করেন, তবে সিন্ধু নদের জল আরও রক্তিম হয়ে উঠতে পারে। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না, আর বারবার একই ভুল করলে তার মাশুল যে কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা পাকিস্তানের বেলায় প্রযোজ্য হয়ে উঠতে পারে!
পাকিস্তানের বর্তমান সংকট কেবল একটি রাজনৈতিক দলের উত্থান-পতনের গল্প নয়, এটি একটি রাষ্ট্রের কাঠামোগত ব্যর্থতার দলিল। ১৯৭১ সালের ট্র্যাজেডি থেকে শিক্ষা নিয়ে যদি তারা নিজেদের শুধরে না নেয়, তবে আরেকটি ঐতিহাসিক ভাঙন বা দীর্ঘস্থায়ী নৈরাজ্য হয়তো তাদের ভাগ্যলিপি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ৫ জুলাই মৃত্যুবরণ করেছেন। চারপাশে মুখোশপরা চিন্তাবিদ-বুদ্ধিজীবীর মাঝে ব্যতিক্রম ছিলেন তিনি। তাঁর কোনো মুখোশ ছিল না। মুখে যে কথা আসে বলে ফেলতেন। কথাকে যে ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে উপযোগী করে বলতে হয়, তা তিনি জানতেন না। অন্য অনেকে কৌশল করে কথা বলেন। কারণ, তাঁরা প্রায় সবাই লোকসমাজে যা
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান শুধু একটি সরকারের পতনের ঘটনা নয়; এটি ছিল দীর্ঘদিনের ক্ষোভ, বঞ্চনা ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ। এর দুই বছর পূর্তিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—জুলাই কি সফল, নাকি ব্যর্থ? এই প্রশ্নের উত্তর এককথায় দেওয়া সম্ভব
১ ঘণ্টা আগে
কয়েক মাস আগে ঢাকাসহ প্রায় সারা দেশের এক চিরচেনা দৃশ্য—পাম্পে দীর্ঘ সারির গাড়ির লাইন চোখে পড়েছিল। সে সময় গ্যাস-সংকটের অন্যতম কারণ ছিল ইরান আগ্রাসন। সেই একই পরিস্থিতি আবারও তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এবার কিন্তু বৈশ্বিক কোনো ব্যাপার নেই।
১ ঘণ্টা আগে
কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞেস করে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ মাস কোনটি? আমি নির্দ্বিধায় বলব, ২০২৪ সালের জুলাই। ক্যালেন্ডারের হিসাবে এটি বছরের সপ্তম মাস—মাত্র ৩১ দিনের। কিন্তু অনুভূতির হিসাবে যেন কয়েক যুগের সমান। এই এক মাসে আমি দেখেছি মানুষের সাহস, ভয়, কান্না, প্রতিবাদ, আত্মত্যাগ এবং আশার এক বিরল
১ দিন আগে