
রাজধানীর ধানমন্ডির সাত মসজিদ রোডের গাউছিয়া টুইন পিক ভবনের ১৩টি রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে গাউসিয়া টুইন পিক টাওয়ারের ১৩ রেস্তোরাঁ বন্ধই থাকছে।
আজ বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে বিচারপতি কে এম কারুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের বেঞ্চ আবেদনটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দেন।
এর আগে শুনানিতে মৌখিকভাবে তলব করা হয় রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে। তিনি আদালতে উপস্থিত হয়ে বলেন, ভবনটি বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমোদন থাকলেও রেস্তোরাঁ করার অনুমতি ছিল না।
আদালত উভয় পক্ষকে শুনে রিট খারিজ করে দেন। এর ফলে ওই ১৩ রেস্তোরাঁ বন্ধই থাকবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। রাজউকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইমাম হাসান। রেস্তোরাঁ মালিকদের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক ও সাইদ আহমেদ রাজা।
আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘১৩টি রেস্তোরাঁর মধ্যে ১২ জন রিট করেছিলেন। তবে রাজউক থেকে রেস্তোরাঁ করার অনুমোদন না থাকায় রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।’
এর আগে গত ৪ মার্চ রাজধানীর ধানমন্ডিতে সাত মসজিদ রোডের গাউছিয়া টুইন পিক ভবনে অভিযান চালিয়ে ১৩টি রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেয় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। সেই সঙ্গে এসব রেস্তোরাঁর বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন রেস্তোরাঁ মালিকেরা।
উল্লেখ্য, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামের ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জন প্রাণ হারান। এর পর থেকেই রেস্তোরাঁগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযানে নামে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে রাজধানীতে মোটরসাইকেল মেকানিক মো. নয়ন মিয়া হত্যার আলাদা ঘটনাস্থল দেখিয়ে আদালতে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। একটি মামলা করেছেন তাঁর শ্বশুর, অন্যটি তাঁর বাবা। শ্বশুরের করা মামলায় ঘটনাস্থল অসত্য উল্লেখ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ।
৯ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের অধিকাংশ যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ২ এপ্রিল সংসদে উত্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশেষ কমিটি। তবে গণভোটের অধ্যাদেশের ব্যবহার হয়ে গেছে উল্লেখ করে তা বিল আকারে সংসদে উত্থাপন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে আপত্তি তুলেছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী।
১০ ঘণ্টা আগে
সরবরাহে ঘাটতি খুব সামান্য। মজুত নিয়েও আপাতত বড় দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। এরপরও সারা দেশের তেলের পাম্পগুলোতে এক মাস ধরে যেন ‘হাহাকার’ পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহল ও বিশ্লেষকেরা বলছেন, মূলত দুর্বল পরিকল্পনা, তথ্যের ঘাটতি, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাপর্যায়ে কিছু মজুতদারিতে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
কিছুক্ষণ পর ২৫-৩০ জন পুলিশ ওই চায়ের দোকানের সামনে আসে। কিছু পুলিশ সদস্য উচ্চস্বরে বলছিলেন—‘সবাইকে ক্রসফায়ার করে দে’। চায়ের দোকানের শাটার খুলে পুলিশ তাঁদের টেনেহিঁচড়ে বের করে হাতের অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক পেটায়...
১৩ ঘণ্টা আগে