উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক
আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ‘মুজিব বর্ষ’ উদযাপনের নামে ‘মূর্তি বানিয়ে’ রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকা অপচয়ের ডকুমেন্টেশন করা হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
আজ বৃহম্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের বিষয়ে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও অপূর্ব জাহাঙ্গীর।
মুজিব বর্ষকে ঘিরে দেশে রাষ্ট্রীয় স্পন্সর উন্মাদনা হয়েছে উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন, ‘আমরা আইএমএফের কাছে ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের জন্য হাত পাতছি বেলআউট করার জন্য। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, মুজিব বর্ষের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা নষ্ট করছি কিছু ম্যুরাল ও স্ট্যাচু বানিয়ে। মুজিব বর্ষে কি ধরণের কাজ হয়েছে, কত টাকার অপচয় হয়েছে তার ডুকুমেন্টেশন করার কথা উপদেষ্টা পরিষদে এসেছে। এটা নিয়ে কাজ হবে।’
তিনি বলেন, ‘কোন কোন মন্ত্রণালয় কত কত টাকা খরচ করেছে তার তালিকা করা হবে। দেখা হবে কী কী খাতে টাকাগুলো গেছে। অনেক ক্ষেত্রে বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে ফোর্স করা হয়েছে। ফলে কেউ মুজিব কর্ণার করেছে, কেউ মুজিবের ম্যুরাল বানাতে বাধ্য হয়েছেন। মুজিববাদকে সামনে রেখে টাকা খরচের যে একটা উন্মাদনা ছিল, কত টাকা অপচয় হয়েছে তা জানার জন্য ডকুমেন্টেশন করা হবে। এই সিদ্ধান্ত হয়েছে আজকের কেবিনেটে।’

টাকার অপচয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মুজিব বর্ষের নামে যা যা অপচয় হয়েছে তার একটা ডকুমেন্টেশন করা হবে। মন্ত্রণালয়গুলো সেই ডকুমেন্টেশনগুলো করবে। আমরা একটা রিপোর্ট দেখেছি সেটা যাচাই করতে পারিনি। পত্রিকাটি বলছে চার হাজার কোটি টাকা খরচ করে ১০ হাজার মূর্তি বানানো হয়েছে। আপনারা দেখেছেন কি পরিমাণে একটা অপচয় হয়েছে। একদিকে উনারা হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে মূর্তি বানিয়েছে, আবার আইএমএফ-এর কাছে টাকার জন্য হাত পেতেছেন।’
মুজিববর্ষে যে সব আমলারা দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হবে কি? এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগে ডকুমেন্টেশন হোক তার পরে দেখা যাবে কি করা যায়। ডকুমেন্টেশনের পরে দেখতে পাব কী পরিমাণে অপচয় হয়েছে। এগুলো কিন্তু মানুষের, ট্যাক্স পেয়ারের টাকা। এ টাকা কীভাবে ব্যয় হলো, তা অবশ্যই আমরা দেখব। আপনারা নিশ্চয় দেখেছেন, পদ্মাসেতুতে দুটি ম্যূরালের জন্য ১১৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে, চিন্তা করা যায়!’
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানোর আগে দেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০ হাজারের বেশি ম্যুরাল, ভাস্কর্য ও প্রতিকৃতি স্থাপন করে আওয়ামী লীগ সরকার। টানা ১৫ বছর ধরেই ভাস্কর্য, ম্যুরাল ও প্রতিকৃতি তৈরি করা হয় এবং এতে স্থানীয় প্রশাসন এবং অনেক সংস্থার উদ্যোগী ভূমিকা ছিল বলে একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
ধূমপান ও তামাকজনিত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ সংশোধনের জন্য উচ্চ পর্যায়ে কমিটির সিদ্ধান্তের বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘এ কমিটির নেতৃত্ব দেবেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ। ধূমপানে মানুষের স্বাস্থ্যের ক্ষতি ও ট্যাক্স আদায়ের বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। সবকিছু বিবেচনা করে নতুন করে আইনটা নিয়ে ভাবা হবে। নন কনভেনশনাল সোর্স তামাক শিল্প বিজ্ঞাপন করে, সেগুলো তারা দেখবেন।’
প্রয়োজনীয় ওষুধ ১১৭টি থেকে বাড়িয়ে ২৬০টি করার চিন্তাভাবনা সরকারের রয়েছে বলে জানান প্রেস সচিব। তিনি বলেন, ‘নতুন করে জরুরি প্রয়োজনীয় ওষুধের তালিকা করা যায়। আমাদের দেশের দরিদ্র মানুষেরা ওষুধের উচ্চ দামের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাদের প্রটেকশন দেওয়ার চিন্তার আলোকে একটা টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। তারা স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেবে।’

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ‘মুজিব বর্ষ’ উদযাপনের নামে ‘মূর্তি বানিয়ে’ রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকা অপচয়ের ডকুমেন্টেশন করা হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
আজ বৃহম্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের বিষয়ে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও অপূর্ব জাহাঙ্গীর।
মুজিব বর্ষকে ঘিরে দেশে রাষ্ট্রীয় স্পন্সর উন্মাদনা হয়েছে উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন, ‘আমরা আইএমএফের কাছে ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের জন্য হাত পাতছি বেলআউট করার জন্য। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, মুজিব বর্ষের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা নষ্ট করছি কিছু ম্যুরাল ও স্ট্যাচু বানিয়ে। মুজিব বর্ষে কি ধরণের কাজ হয়েছে, কত টাকার অপচয় হয়েছে তার ডুকুমেন্টেশন করার কথা উপদেষ্টা পরিষদে এসেছে। এটা নিয়ে কাজ হবে।’
তিনি বলেন, ‘কোন কোন মন্ত্রণালয় কত কত টাকা খরচ করেছে তার তালিকা করা হবে। দেখা হবে কী কী খাতে টাকাগুলো গেছে। অনেক ক্ষেত্রে বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে ফোর্স করা হয়েছে। ফলে কেউ মুজিব কর্ণার করেছে, কেউ মুজিবের ম্যুরাল বানাতে বাধ্য হয়েছেন। মুজিববাদকে সামনে রেখে টাকা খরচের যে একটা উন্মাদনা ছিল, কত টাকা অপচয় হয়েছে তা জানার জন্য ডকুমেন্টেশন করা হবে। এই সিদ্ধান্ত হয়েছে আজকের কেবিনেটে।’

টাকার অপচয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মুজিব বর্ষের নামে যা যা অপচয় হয়েছে তার একটা ডকুমেন্টেশন করা হবে। মন্ত্রণালয়গুলো সেই ডকুমেন্টেশনগুলো করবে। আমরা একটা রিপোর্ট দেখেছি সেটা যাচাই করতে পারিনি। পত্রিকাটি বলছে চার হাজার কোটি টাকা খরচ করে ১০ হাজার মূর্তি বানানো হয়েছে। আপনারা দেখেছেন কি পরিমাণে একটা অপচয় হয়েছে। একদিকে উনারা হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে মূর্তি বানিয়েছে, আবার আইএমএফ-এর কাছে টাকার জন্য হাত পেতেছেন।’
মুজিববর্ষে যে সব আমলারা দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হবে কি? এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগে ডকুমেন্টেশন হোক তার পরে দেখা যাবে কি করা যায়। ডকুমেন্টেশনের পরে দেখতে পাব কী পরিমাণে অপচয় হয়েছে। এগুলো কিন্তু মানুষের, ট্যাক্স পেয়ারের টাকা। এ টাকা কীভাবে ব্যয় হলো, তা অবশ্যই আমরা দেখব। আপনারা নিশ্চয় দেখেছেন, পদ্মাসেতুতে দুটি ম্যূরালের জন্য ১১৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে, চিন্তা করা যায়!’
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানোর আগে দেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০ হাজারের বেশি ম্যুরাল, ভাস্কর্য ও প্রতিকৃতি স্থাপন করে আওয়ামী লীগ সরকার। টানা ১৫ বছর ধরেই ভাস্কর্য, ম্যুরাল ও প্রতিকৃতি তৈরি করা হয় এবং এতে স্থানীয় প্রশাসন এবং অনেক সংস্থার উদ্যোগী ভূমিকা ছিল বলে একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
ধূমপান ও তামাকজনিত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ সংশোধনের জন্য উচ্চ পর্যায়ে কমিটির সিদ্ধান্তের বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘এ কমিটির নেতৃত্ব দেবেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ। ধূমপানে মানুষের স্বাস্থ্যের ক্ষতি ও ট্যাক্স আদায়ের বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। সবকিছু বিবেচনা করে নতুন করে আইনটা নিয়ে ভাবা হবে। নন কনভেনশনাল সোর্স তামাক শিল্প বিজ্ঞাপন করে, সেগুলো তারা দেখবেন।’
প্রয়োজনীয় ওষুধ ১১৭টি থেকে বাড়িয়ে ২৬০টি করার চিন্তাভাবনা সরকারের রয়েছে বলে জানান প্রেস সচিব। তিনি বলেন, ‘নতুন করে জরুরি প্রয়োজনীয় ওষুধের তালিকা করা যায়। আমাদের দেশের দরিদ্র মানুষেরা ওষুধের উচ্চ দামের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাদের প্রটেকশন দেওয়ার চিন্তার আলোকে একটা টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। তারা স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেবে।’

বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পরিকল্পনায় গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি থেকে লোক এনে বিএনএম গঠনের চিন্তা করা হয়েছিল।
৬ ঘণ্টা আগে
এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় সংযোজন প্রবাসীদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট। কিন্তু এই ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়া শুরু আগেই এ নিয়ে বিতর্ক উঠে গেছে। দেশের বাইরে পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় জোর আপত্তি তুলেছে বিএনপি। একই সঙ্গে ব্যালটে প্রতীকের বিন্যাস নিয়েও বিএনপির আপত্তি আছে।
৭ ঘণ্টা আগে
জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন এ পর্যন্ত মোট ১১৬ কোটি ২১ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে ৮২৯টি জুলাই শহীদ পরিবার পেয়েছে ৪১ কোটি ২৭ লাখ টাকা এবং ৬ হাজার ৪৭১ জন আহত জুলাই যোদ্ধা পেয়েছেন ৭৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
১০ ঘণ্টা আগে
রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে আরও ৬০ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ষষ্ঠ দিনের আপিল শুনানিতে তাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পান।
১২ ঘণ্টা আগে