
নবজাতক শিশুর জন্মের শুকরিয়াস্বরূপ পশু জবাই করাকে ‘আকিকা’ বলা হয়। আকিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নত আমল। অনেক মা-বাবা চিন্তিত থাকেন যে, আর্থিক সংকটের কারণে আকিকা দিতে না পারলে কোনো গুনাহ হবে কি না। এ বিষয়ে ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
আকিকা দেওয়া সুন্নত পর্যায়ের ইবাদত; এটি ফরজ বা ওয়াজিব নয়। তাই কোনো ব্যক্তি দরিদ্র হওয়ার কারণে বা আর্থিক অসংগতির দরুন সন্তানের আকিকা দিতে না পারলে তাঁর কোনো গুনাহ হবে না।
আরবের সর্বোচ্চ ফতোয়া বোর্ড ‘আল-লাজনাতুদ্দায়িমাহ লিল-ইফতা’ এ বিষয়ে জানিয়েছে, আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কাজের ভার দেন না। সুতরাং, সামর্থ্য না থাকলে আকিকা না করায় কোনো অসুবিধা নেই। তবে সামর্থ্য হওয়ার পর তা আদায় করে নেওয়া উত্তম।
আর্থিক সমস্যা থাকলেও মা-বাবার উচিত আকিকা দেওয়ার দৃঢ় নিয়ত রাখা। আল্লাহ তাআলা যেহেতু সন্তান দিয়েছেন, তিনি চাইলে আর্থিক সংকট দূর করে আকিকার ব্যবস্থাও করে দিতে পারেন।
আকিকা করার মাধ্যমে নবজাতকের অনেক কল্যাণসাধন হয়:
হাদিস অনুযায়ী আকিকার পশুর সংখ্যার ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে:
আকিকার মাংসের হুকুম কোরবানির মাংসের মতোই। এই মাংস নিজেরা খেতে পারবে এবং আত্মীয়স্বজন ও গরিব-মিসকিনদের মধ্যে বণ্টন করা যাবে। এতে ধনী-দরিদ্রের কোনো ভেদাভেদ নেই; এমনকি শিশুর মা-বাবা ও নানা-নানিও এই মাংস খেতে পারবেন।
আকিকা একটি বরকতময় আমল, যা শিশুর কল্যাণের সঙ্গে জড়িত। সামর্থ্য না থাকলে গুনাহ হবে না ঠিকই, তবে সামর্থ্য অনুযায়ী এই সুন্নত পালন করে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা প্রত্যেক মা-বাবার জন্য বাঞ্ছনীয়।

ইসলামি জীবনব্যবস্থায় পারিবারিক ও সামাজিক পবিত্রতা রক্ষায় বিয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু সীমারেখা টেনে দেওয়া হয়েছে। একজন মুসলিম নারীর জন্য সব পুরুষকে বিয়ে করা বৈধ নয়। নির্দিষ্ট কিছু নিকটাত্মীয় রয়েছেন, যাঁদের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া ইসলামি শরিয়তে হারাম বা নিষিদ্ধ।
৬ ঘণ্টা আগে
ইসলামি জীবনদর্শনে ‘হিদায়াত’ শব্দটির গুরুত্ব অপরিসীম। প্রতিটি মুমিন বান্দা প্রতিদিন নামাজের প্রতি রাকাতে আল্লাহর কাছে ‘সিরাতুল মুস্তাকিম’ বা সরল পথের হিদায়াত প্রার্থনা করেন।
৯ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৩ ঘণ্টা আগে
নামাজ মহান আল্লাহর জিকির ও প্রশংসার এক অনন্য সংমিশ্রণ। নামাজের প্রতিটি রুকনে যেমন তাসবিহ ও দোয়া রয়েছে, তেমনি দুই সিজদার মাঝখানের সংক্ষিপ্ত বৈঠকেও রাসুলুল্লাহ (সা.) বিশেষ দোয়া পাঠ করতেন। তবে সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে একটি প্রশ্ন প্রায়ই দেখা যায়—এই দোয়া পাঠ করার বিধান বা হুকুম আসলে কী?
২০ ঘণ্টা আগে