
ক্রিমি, মোলায়েম আর মাশরুমের তৈরি রিসোট্টো আরামদায়ক খাবার হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। ইতালিয়ান এই খাবার দেখতে অনেকটা ভাতের মতো হলেও এর স্বাদ এবং রান্নার পদ্ধতি কিছুটা ভিন্ন। ধীরে ধীরে গরম স্টকের সঙ্গে স্টার্চ-সমৃদ্ধ চাল রান্না করে তৈরি করা হয় এর বিশেষ ক্রিমি টেক্সচার। সঙ্গে মাশরুম যোগ হলে খাবারটি হয় আরও সুস্বাদু। বাংলাদেশের ইতালিয়ান রেস্তোরাঁগুলোতে রিসোট্টো পাওয়া গেলেও ঘরে এটি সহজেই তৈরি করা সম্ভব।
আরবোরিও রাইস দেড় কাপ, মাশরুম ২৫০ থেকে ৩০০ গ্রাম, চিকেন স্টক ৪ কাপ, পেঁয়াজ ১টি, রসুন ৪ থেকে ৫ কোয়া, অলিভ অয়েল ৩ টেবিল চামচ, পারমেজান চিজ পরিমাণমতো, থাইম ও রোজমেরি ১ চা-চামচ করে, ভিনেগার ১ টেবিল চামচ, লবণ ও গোলমরিচ স্বাদমতো এবং সাজানোর জন্য পার্সলে। আরবোরিও রাইস না পেলে মাঝারি দানার চাল ব্যবহার করা যেতে পারে।

প্রথমে চিকেন স্টক হালকা আঁচে গরম করুন। অন্য একটি প্যানে অলিভ অয়েলে পেঁয়াজ ও মাশরুম ভেজে নিন। তারপর রসুন, রোজমেরি, থাইম, গোলমরিচ, লবণ ও ভিনেগার দিয়ে আরও এক মিনিট রান্না করুন। এরপর মাশরুমগুলো তুলে রাখুন। একই কড়াইয়ে চাল দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে এক হাতা করে স্টক দিতে থাকুন। প্রতিবার স্টক প্রায় শুকিয়ে গেলে পরের হাতা দিন এবং নেড়ে রান্না করুন। ২০-২৫ মিনিট পর চালের টেক্সচার নরম ও ক্রিমি হয়ে এলে মাশরুম ও পারমেজান চিজ মিশিয়ে দিন। এরপর চুলা বন্ধ করে দিন। তবে খেয়াল রাখতে হবে, চাল যেন পুরোপুরি গলে না যায়।
পরিবেশন: গরম-গরম রিসোট্টো বাটিতে দিয়ে ওপর থেকে মাশরুম, পার্সলে ও সামান্য পারমেজান চিজ ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
সংরক্ষণ: বেঁচে গেলে ঠান্ডা করে বায়ুরোধী পাত্রে ফ্রিজে রাখুন।
সূত্র: দ্য মেডিটেরেনিয়ান ডিশেস

আকাশে ধবধবে সাদা মেঘের ভেলা, পাহাড়জুড়ে সবুজের উদ্দাম প্রচ্ছদ। তবে বর্ষার অকৃপণ বর্ষণে রাঙামাটির প্রকৃতি এখন নবযৌবনে দীপ্ত। এদিকে আসছে শরৎ। বহুদূর বিস্তৃত কাপ্তাই হ্রদ পূর্ণ হয়ে উঠেছে টইটম্বুর স্ফটিক স্বচ্ছ পানিতে। তার ওপর পড়েছে মেঘের ছায়া। জুমের টাটকা সবজি আর বাঁশকোঁড়লের সুবাসে ম-ম করছে...
১ দিন আগে
ভ্রমণপিয়াসি এবং বিলাসবহুল জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত মানুষের কাছে সেরা আতিথেয়তার মানদণ্ড অন্য রকম। মূলত তাঁদের জন্যই ভ্রমণভিত্তিক শীর্ষস্থানীয় ম্যাগাজিন ‘কনডে নাস্ট ট্রাভেলার’ প্রতিবছর বিশ্বের সেরা হোটেল ও রিসোর্টগুলোর তালিকা প্রকাশ করে। সম্প্রতি ম্যাগাজিনটি প্রকাশ করেছে তাদের এ বছরের ‘হটেস্ট নিউ হোটেলস...
১ দিন আগে
আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, মাঠের ধারে কাশফুল আর নদীতে স্বচ্ছ পানি—সব মিলিয়ে এই ঋতু যেন বাংলাদেশের প্রকৃতির নিজস্ব উৎসব। শরৎকালে নদীগুলোও ফিরে পায় তার স্বাভাবিক ছন্দ। বর্ষার উচ্ছ্বাস কিছুটা কমে নদীর পানি নেমে আসে, স্রোত থাকে শান্ত আর স্বাভাবিক। এমন সময়ে নদীভ্রমণের আনন্দ হয়ে ওঠে একেবারে অন্য রকম।
১ দিন আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল। নাফাখুম, রিঝুক ঝরনা এবং তমাতুঙ্গী থেকে টিওবি ও কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। ১১ আগস্ট অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১ দিন আগে